📌 এনসিপি ও বিএনপির সমাবেশ আহ্বানকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা — জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজের আদেশে ৫+ সমাবেশ, মাইকিং, মিছিল নিষিদ্ধ।
এনসিপি ও বিএনপির সমাবেশ আহ্বানকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা অবনতির আশঙ্কায় হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে — বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজের এক লিখিত আদেশে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় পৌর এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক লোকের কোনো সমাবেশ, মাইকিং ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- বুধবার সকালে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজের লিখিত আদেশে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি।
- ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকাকালে পৌর এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক লোকের সমাবেশ, মাইকিং ও মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- মঙ্গলবার রাতে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে হামলা — সারজিসসহ বেশ কয়েকজন আহত।
- বুধবার এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা — পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দেয় স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদল।
- উভয়পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের ফলে পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
ঘোষণায় বলা হয়েছে, এনসিপি ও বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে — যে কোনো সময় যানমালের ক্ষতি, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকাকালে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক লোকের কোনো সমাবেশ করা যাবে না — মাইকিং মিছিল ইত্যাদিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার এনসিপি নেতারা হবিগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কে 'জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচিতে পদযাত্রা করেন। পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে রাতে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনের রাস্তায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা করা হয় — এতে সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়।
আজ বুধবার হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদল শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা করে। উভয়পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানের ফলে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয় — যাতে মঙ্গলবারের হামলার পরিণতি আরও বিস্তার লাভ না করে এবং জনজীবন স্বাভাবিক থাকে।
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!