📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বিরোধী দলের নজরদারি চালানোর অভিযোগকে ফ্যাসিবাদী চিন্তার বহিঃপ্রকাশ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি ফ্যামিলি ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পের ব্যয়বহুলতা ও অনিয়মেরও সমালোচনা করেছেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক নজরদারি চালানোর অভিযোগকে বিপজ্জনক ও ফ্যাসিবাদী চিন্তাধারার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তার ফেসবুক পোস্টে তিনি সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী রাজনৈতিক দলের পেছনে লাগিয়ে নজরদারি চালানো অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলের স্মৃতিচিহ্ন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার সমতুল্য এবং বিপজ্জনক
- 📌 ফ্যামিলি ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পে প্রতিটি কার্ডের ব্যয় ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা, যখন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় কার্ড সরবরাহ সম্ভব
- 📌 উন্মুক্ত দরপত্রের পরিবর্তে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের অভিযোগ তোলেন তিনি
- 📌 বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ডেটাবেজ ব্যবহার করে দরিদ্র মানুষের কার্যকর ডেটাবেজ তৈরি করা সম্ভব, তাই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 সরকারের দাবি প্রধানমন্ত্রী এসব প্রকল্প সম্পর্কে অবগত নন—এমন বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন হাসনাত
📰 বিস্তারিত
হাসনাত আবদুল্লাহ তার দীর্ঘ পোস্টে উল্লেখ করেছেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে তাদের মূল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা বিপজ্জনক। তিনি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পে প্রতিটি কার্ডের ব্যয় ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা ধরা হয়েছে, যা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায় সরবরাহ করা সম্ভব। এছাড়াও তিনি উন্মুক্ত দরপত্রের পরিবর্তে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের অভিযোগ তোলেন।
হাসনাত আরও বলেছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোসহ বিভিন্ন সরকারি তথ্যভান্ডার ব্যবহার করে দরিদ্র মানুষের কার্যকর ডেটাবেজ তৈরি করা সম্ভব। তাই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেন যে, প্রধানমন্ত্রী এসব প্রকল্প সম্পর্কে অবগত নন—এমন বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই।
হাসনাত আবদুল্লাহ পোস্টের শেষাংশে সতর্কবার্তা দেন যে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। এসব প্রতিষ্ঠান ১৮ কোটি মানুষের সেবায় নিয়োজিত। তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দলসহ সব নাগরিকের প্রতি দায়িত্ব পালনের জন্যই রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো গঠিত হয়েছে। কোনো দলের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থে এসব প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।
"রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে বিরোধী দলের পেছনে লাগানো এবং নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে তাদের মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা বিপজ্জনক।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত আবদুল্লাহ (এনসিপি সংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০-৩৬৫ টাকা (কার্ড ব্যয়), ১২৫-১৩০ টাকা (বেসরকারি কার্ড), ১৮ কোটি (বাংলাদেশের জনসংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!