📌 রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম সরকারের সংবিধান সংস্কার পরিষদকে সংবিধানবিরোধী আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে বলেছেন, এতে গণ-অভ্যুত্থানের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, সরকারের এই পদক্ষেপটি রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের প্রতিফলনকে অবৈধ ঘোষণা করার চেষ্টা
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম সরকারের সংবিধান সংস্কার পরিষদকে সংবিধানবিরোধী আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে বলেছেন, এতে গণ-অভ্যুত্থানের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, সরকারের এই পদক্ষেপটি জনগণের আন্দোলনের অর্জনকে পুরোনো সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা। সোমবার সংগঠনটির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে অঙ্গীকারিত সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিকে সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করা হচ্ছে, যার ফলে গণ-অভ্যুত্থানের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাসনাত কাইয়ূম বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদকে সংবিধানবিরোধী আখ্যা দেওয়া গণ-অভ্যুত্থানের অর্জনকে অবৈধ ঘোষণা করার চেষ্টা
- 📌 জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করায় সরকারের পদক্ষেপকে আন্দোলনকারীরা সংবিধানবিরোধী বলে প্রত্যাখ্যান করছে
- 📌 রাজনৈতিক বিশ্বাসহীনতা এবং অঙ্গীকার অপূর্ণতার কারণে দেশে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি করেছেন হাসনাত কাইয়ূম
- 📌 তিন দফা দাবি তুলে ধরেছেন: সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন, সংশোধন কমিটির সিদ্ধান্ত স্থগিত, এবং অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রোডম্যাপ প্রকাশ
- 📌 বিরোধী দলের অভিযোগ: সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচিকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিকে সংবিধানবিরোধী আখ্যা দেওয়ার প্রতিবাদে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সোমবার প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত কাইয়ূম বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে স্পষ্টভাবে অঙ্গীকার করা একটি প্রতিষ্ঠানকে সংবিধানবিরোধী বলে ঘোষণা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপটি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
হাসনাত কাইয়ূম আরও বলেন, দেশে চলমান সামাজিক অস্থিরতা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এর পেছনে রাজনৈতিক বিশ্বাসহীনতার বড় ভূমিকা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, জনগণের সঙ্গে করা অঙ্গীকার বারবার অপূর্ণ থাকা, সংস্কার কাঠামো গঠনে দীর্ঘসূত্রতা এবং জনআকাঙ্ক্ষাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রবণতা মানুষের মধ্যে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি করছে। এই আস্থাহীনতাই সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন হাসনাত কাইয়ূম। প্রথমত, সরকারকে সংবিধান সংস্কার পরিষদকে সংবিধানবিরোধী আখ্যা দেওয়া থেকে সরে আসতে হবে এবং জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী অবিলম্বে পরিষদ গঠন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সংস্কার পরিষদ গঠনের আগে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত বা সুপারিশ চূড়ান্ত করা যাবে না। তৃতীয়ত, সরকারকে জনগণের সঙ্গে করা অঙ্গীকারগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের একটি স্বচ্ছ রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সহসভাপতি হাবীবুর রহমান রাজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল এবং নারী বিষয়ক সহ-সম্পাদিকা মনোয়ারা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
"সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিকে সংবিধানবিরোধী আখ্যা দেওয়া গণ-অভ্যুত্থানের অর্জনকে অবৈধ ঘোষণা করার চেষ্টা। সরকারের এই পদক্ষেপটি রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের প্রতিফলনকে পুরোনো সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত কাইয়ূম (রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (দাবির সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!