📌 ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) সরকারি বিজ্ঞাপন মূল্য পুনর্নির্ধারণের নতুন পরিপত্রকে অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করে। তারা দাবি করছে, বর্তমান খরচ বিবেচনা করে ১০০% মূল্য বৃদ্ধি করা উচিত ছিল
বিজ্ঞাপন মূল্য পুনর্নির্ধারণের নতুন পরিপত্রকে অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি)। সংগঠনের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ঢাকায় রোববার (১৮ অক্টোবর) একটি যুক্তিবাদী বিবৃতি প্রকাশ করে সরকারকে দাবি জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, বর্তমান প্রকাশনা খরচ ও অর্থনৈতিক অবস্থার আলোকে সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্য ১০০% বৃদ্ধি করা উচিত ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ অক্টোবর তারিখে এনইসি সরকারি বিজ্ঞাপন মূল্য পুনর্নির্ধারণের নতুন পরিপত্রকে "অপ্রতুল ও অগ্রহণযোগ্য" বলে ঘোষণা করে
- 📌 ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে বর্তমান বিজ্ঞাপন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০০৬ সালের প্রস্তাবিত মূল্যের ১৩ বছর পর বাস্তবায়িত
- 📌 ২২-২৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবের পরিবর্তে এনইসি দাবি করে ১০০ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি
- 📌 ৯০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব ছিল, কিন্তু নতুন পরিপত্রে তা অগ্রহণযোগ্য মনে করা হয়েছে
- 📌 রঙিন বিজ্ঞাপন ও প্রথম/শেষ পৃষ্ঠায় বিজ্ঞাপনের অতিরিক্ত মূল্য অপরিবর্তিত রাখার দাবি করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি ও যায়যায়দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ও আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান একত্রে বিবৃতিতে বলেছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসের বিজ্ঞাপন মূল্য বর্তমানেও প্রযোজ্য রাখা হয়েছে। তবে সেই সময়ের মূল্য ছিল ২০০৬ সালের প্রস্তাবিত মূল্যের ১৩ বছর পর বাস্তবায়িত। এর মধ্যে প্রকাশনা খরচ, নিউজপ্রিন্ট, কালি ও অন্যান্য প্রকাশনা সামগ্রীর দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গে সাংবাদিক সংগঠনের নেতা, সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের বৈঠকে বিজ্ঞাপনের সর্বনিম্ন হার ৯০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা প্রতি কলাম ইঞ্চি নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু ১৩ অক্টোবর জারি করা নতুন পরিপত্রে এই প্রস্তাবের তুলনায় মূল্য অনেক কম নির্ধারণ করা হয়েছে। এনইসি মনে করে, বর্তমান খরচ বিবেচনা করে সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্য ২২ শতাংশের পরিবর্তে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা উচিত ছিল।
এছাড়া, রঙিন বিজ্ঞাপন এবং প্রথম ও শেষ পৃষ্ঠায় বিজ্ঞাপন ছাপার ক্ষেত্রে বর্তমান অতিরিক্ত মূল্যহার বৃদ্ধি না করে অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে। সংবাদপত্রশিল্পের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে যদি মূল্য বৃদ্ধি ২২ শতাংশের মতো থাকে।
"বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পত্রিকার সংখ্যাভেদে ২২ থেকে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব মোটেই বাস্তবসম্মত নয়। বর্তমান ব্যয় বিবেচনা করে সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার ২২ শতাংশের জায়গায় ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা উচিত ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিক রেহমান, মাহমুদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ (তারিখ), ২০১৯ (বছর), ২০০৬ (বছর), ১৩ (বছর), ৯০০ (টাকা), ৩০০০ (টাকা), ২২ (শতাংশ), ২৫ (শতাংশ), ১০০ (শতাংশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!