📌 নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মুহম্মদ সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে রাজনৈতিক পরিবেশ নিরাপদ রাখা এবং অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা দরকার। সর্বশেষ নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা সর্বোচ্চ হলেও তাদের জয়লাভের হার কম ছিল
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মুহম্মদ সানাউল্লাহ নির্বাচনে নারীদের সক্রিয় ভূমিকা বৃদ্ধির জন্য রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের উপর জোর দিয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনের কর্মসভায় তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে রাজনৈতিক পরিবেশ নিরাপদ রাখা এবং নির্বাচনী ব্যয় কমাতে হবে: সানাউল্লাহ
- 📌 সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ হলেও তাদের জয়লাভের হার তুলনামূলক কম
- 📌 বর্তমানে জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব ১৬-১৭ শতাংশ, যা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে বেশি
- 📌 নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক এবং সামাজিক-ধর্মীয় বাধা কমেছে
- 📌 নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী আচরণবিধিতে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মুহম্মদ সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনী ব্যয় কমাতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা ১৯৯১ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল, কিন্তু তাদের জয়লাভের হার তুলনামূলক কম। অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও সম্পদে প্রবেশাধিকারের সীমাবদ্ধতা নারী প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
সানাউল্লাহ বলেন, বর্তমানে জাতীয় সংসদে নারীদের প্রতিনিধিত্ব ১৬-১৭ শতাংশ, যা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে কিছুটা বেশি। তিনি নারী ভোটারদের অংশগ্রহণকে সন্তোষজনক উল্লেখ করেছেন এবং সামাজিক ও ধর্মীয় বাধা আগের তুলনায় কমেছে বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও বলেন, নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ শুধু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভোট দেওয়া, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ ও তৃণমূল সংগঠনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নারীদের ভূমিকা আরও বাড়ানো যেতে পারে।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, নারী প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচনী আচরণবিধিতে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
"নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ শুধু নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভোট দেওয়া, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন, রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ ও তৃণমূল সংগঠনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের ভূমিকা আরও বাড়ানো যেতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর একটি হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মুহম্মদ সানাউল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬-১৭ শতাংশ (নারীদের সাংসদীয় প্রতিনিধিত্ব)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!