📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের সুরক্ষায় ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ: সম্পাদক পরিষদ

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের সুরক্ষায় ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ: সম্পাদক পরিষদ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের সুরক্ষায় সরকারকে ১২টি সুপারিশ করেছে সম্পাদক পরিষদ। আইনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও ডিজিটাল তদন্তের আগে আদালতের অনুমতি দাবি করা হয়েছে। রাজনৈতিক সমালোচনা ও কার্টুনকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না বলে সুপারিশ করা হয়েছে

সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করতে সম্পাদক পরিষদ সরকারকে ১২টি সুপারিশ করেছে। প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর অধীনে মতপ্রকাশ, কার্টুন, প্যারোডি ও রাজনৈতিক সমালোচনার কারণে কাউকে অপরাধী করা যাবে না বলে সংগঠনটি সতর্ক করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১২ দফা সুপারিশে** সরকারকে সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
  • 📌 **সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগে** গ্রেপ্তার, তল্লাশি ও ডিজিটাল তথ্য প্রবেশের আগে **আদালতের অনুমতি** দরকার হবে।
  • 📌 **৪৮ ঘণ্টার মধ্যে** বিচারিক পর্যালোচনা নিশ্চিত করতে হবে।
  • 📌 **রাজনৈতিক সমালোচনা, কার্টুন ও প্যারোডিকে** অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
  • 📌 **সাংবাদিকদের তথ্যসূত্রের নিরাপত্তা** নিশ্চিত করতে হবে।

📰 বিস্তারিত

সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সম্পাদক পরিষদ সরকারকে ১২টি সুপারিশ করেছে। তারা বলেছেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে সাইবার নিরাপত্তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা দরকার। আইনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগে গ্রেপ্তার, তল্লাশি বা ডিজিটাল তথ্য প্রবেশের আগে আদালতের অনুমতি দরকার। জরুরি ক্ষেত্রে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিচারিক পর্যালোচনা করতে হবে।

সুপারিশে বলা হয়েছে, মতপ্রকাশ-সংশ্লিষ্ট অপরাধ জামিনযোগ্য করা উচিত। সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও নীতির সমালোচনা, রাজনৈতিক বক্তব্য ও বিদ্রূপকে সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। ‘রাষ্ট্রকে হেয়প্রতিপন্ন করা’র মতো অস্পষ্ট শব্দ বাদ দিয়ে সংজ্ঞা দিতে হবে।

সাংবাদিকদের তথ্যসূত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং সূত্রের পরিচয় প্রকাশে বাধ্য করা যাবে না। সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিচার মোবাইল কোর্ট বা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে করা যাবে না।

"সাইবার নিরাপত্তা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা দরকার। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারকে আইন সংশোধন করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (সাংবাদিক পরিষদ বিজ্ঞপ্তি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সম্পাদক পরিষদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ দফা সুপারিশ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিচারিক পর্যালোচনা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖