📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ১৭তম জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী সমাবেশে ইকবাল কবীর জাহিদ বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি। জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি, ডেঙ্গু মৃত্যু ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের জবাবদিহি দাবি করা হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বটতলায় বুধবার দুপুর ১২টায় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ১৭তম জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই তিন দিনব্যাপী কাউন্সিলে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সার্বভৌমত্বের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার স্লোগান নিয়ে আলোচনা চলবে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইকবাল কবীর জাহিদ বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি — অর্থনৈতিক সংকট, বাকস্বাধীনতা ও জীবনের নিরাপত্তা অর্জিত হয়নি
- 📌 জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ডেঙ্গু মৃত্যুতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে, দাবি ইকবাল কবীর
- 📌 দিলীপ রায় উল্লেখ করেছেন, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি বাংলাদেশের মেহনতি মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলছে না
- 📌 সঞ্জিত প্রসাদ ভট্ট বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান ছিল শ্রমিক-কৃষকসহ সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা, কিন্তু বৈষম্য এখনো অব্যাহত
- 📌 সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা-কর্মীরা
📰 বিস্তারিত
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ১৭তম জাতীয় কাউন্সিলের উদ্বোধনী সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর জাহিদ। তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষ ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা সর্বাধিক আত্মত্যাগ করেছেন। তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল অর্থনৈতিক সংকট থেকে মুক্তি, বাকস্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা। কিন্তু অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি।
ইকবাল কবীর জাহিদ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, ডেঙ্গুতে মৃত্যু ও নারী-শিশুসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতার দিকে নির্দেশ করে বলেছেন, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়ায় গণঅভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য অর্জিত হয়নি।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেছেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি দিলীপ রায়। তিনি বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের অর্জিত শক্তিকে ব্যবহার করে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি রাজনীতির মাঠে এসেছে, কিন্তু তারা বাংলাদেশের মেহনতি মানুষ ও সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলছে না।
ফুলবাড়ী গণঅভ্যুত্থানের সংগঠক সঞ্জিত প্রসাদ ভট্ট বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান ছিল শ্রমিক-কৃষকসহ বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু বৈষম্য এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং কোথাও কোথাও তা নতুন রূপে ফিরে আসছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই বৈষম্য দূর করতে গণঅভ্যুত্থানের শক্তি ব্যবহার করা দরকার।
উদ্বোধনী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় কমিটি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেতা-কর্মীরা। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য হেমা চাকমা।
"২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি আত্মত্যাগ করেছেন শ্রমজীবী মানুষ। তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল অর্থনৈতিক সংকট থেকে মুক্তি, বাকস্বাধীনতা ও জীবনের নিরাপত্তা। কিন্তু এই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি।"
"গণঅভ্যুত্থান ছিল শ্রমিক-কৃষকসহ সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু বৈষম্য এখনো অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বটতলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইকবাল কবীর জাহিদ, দিলীপ রায়, সঞ্জিত প্রসাদ ভট্ট, হেমা চাকমা, রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭তম জাতীয় কাউন্সিল, ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, দুপুর ১২টায়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!