📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকায় মশাল মিছিলে ভারতের যন্তর-মন্তর আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার প্রতিবাদ: 'গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী হামলা'

ঢাকায় মশাল মিছিলে ভারতের যন্তর-মন্তর আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার প্রতিবাদ: 'গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী হামলা'

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আমাদের সময় ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের যন্তর-মন্তরে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের প্রতিবাদে ঢাকায় মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ। বাংলাদেশের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলো ভারতের গণতন্ত্র বিরোধী হামলাকে নিন্দা করে বাংলাদেশের বন্দর রক্ষা চুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানায়

ভারতের দিল্লির যন্তর-মন্তরে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন দমনের প্রতিবাদে ঢাকায় মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় পুরানা পল্টন থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলটি প্রেসক্লাব ঘুরে আবার পুরানা পল্টনে শেষ হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশের প্রধান ছাত্র সংগঠনগুলো অংশ নেয় এবং ভারতের গণতন্ত্র বিরোধী হামলাকে নিন্দা করে বাংলাদেশের বন্দর রক্ষা চুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার পুরানা পল্টন থেকে মশাল মিছিল শুরু, প্রেসক্লাব ঘুরে পুরানা পল্টনে শেষ হয়
  • 📌 বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ মিছিল সঞ্চালনা করেন
  • 📌 মাহির শাহরিয়ার রেজা (বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি) বলেন, ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় যন্তর-মন্তরের আন্দোলন দমন করছে, যা গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করছে
  • 📌 রিনা মুর্মু (সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট সভাপতি) ভারতের গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের সাথে বাংলাদেশের বন্দর রক্ষা চুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের দমন তুলনা করেন
  • 📌 মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ভারতের তরুণদের আশা প্রকাশ করেন যে, তারা শোষণ-বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলবেন

📰 বিস্তারিত

ভারতের দিল্লির যন্তর-মন্তরে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের প্রতিবাদে ঢাকায় মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই মিছিলে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় পুরানা পল্টন থেকে মিছিল শুরু হয় এবং প্রেসক্লাব ঘুরে আবার পুরানা পল্টনে শেষ হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি খান আসাদুজ্জামান মাসুম সভাপতিত্ব করেন। মিছিলের সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ।

মিছিলে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মাহির শাহরিয়ার রেজা ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি রিনা মুর্মু। মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় যন্তর-মন্তরের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং ছাত্র-যুব নেতাদের আটকের মধ্য দিয়ে দেশটির গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে। তিনি আন্দোলনকারীদের আশাবাদী মন্তব্য করেন যে, তারা আরও বেগবান হয়ে বিজয় অর্জন করবেন।

রিনা মুর্মু বলেন, ভারতে নরেন্দ্র মোদি যেভাবে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করছেন, একই কায়দায় বাংলাদেশেও বন্দর রক্ষা ও দেশবিরোধী বাণিজ্যচুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের দমন করছে তারেক রহমানের সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের মৌলবাদীরা ইতিহাস ও সংস্কৃতির ওপর আক্রমণ করছে। তিনি ভারতের জনগণের আন্দোলনের প্রতিও সংহতি জানান।

সভাপতির বক্তব্যে খান আসাদুজ্জামান মাসুম বলেন, ভারতের শীর্ষ রাজনৈতিক ও ছাত্র-যুব নেতাদের আটক করে নরেন্দ্র মোদি মনে করছেন, তিনি জিতে যাবেন। কিন্তু ইতোমধ্যে আন্দোলন সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, তরুণ ও যুবকেরা ভারতকে শোষণ-বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রগতিশীল জনগণ ভারতের আন্দোলনকারীদের পাশে রয়েছে।

"নরেন্দ্র মোদি সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় যন্তর-মন্তরের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। ভারতের গণতন্ত্রকে বিপর্যস্ত করা হয়েছে"
"ভারতে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের সাথে বাংলাদেশের বন্দর রক্ষা চুক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের দমন তুলনা করছি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (পুরানা পল্টন ও প্রেসক্লাব)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খান আসাদুজ্জামান মাসুম, মাহির শাহরিয়ার রেজা, রিনা মুর্মু, বাহাউদ্দিন শুভ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর, ৭:০০ টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖