📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ফিরিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে নয় দফা দাবি জানিয়েছে জামায়াত। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে দলটি বৈষম্যমূলক বিধান বাতিলের দাবি জানায়
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার অধিকার পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে জামায়াত ইসলামী। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নয় দফা দাবির কথা তুলে ধরেন। দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার বলে উল্লেখ করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ ফিরিয়ে দিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে নয় দফা দাবি জানিয়েছে জামায়াত ইসলামী
- 📌 দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার বলে দাবি করেছেন জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 📌 নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে বৈষম্যমূলক বিধান বাতিলের দাবি জানান দলটির নেতারা
- 📌 সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিধানের বিরোধিতা করেছেন জামায়াত নেতারা
- 📌 নির্বাচন কমিশনে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়া শামসুল আলমের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার অধিকার পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে জামায়াত ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে নয় দফা দাবি উপস্থাপন করেন। বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশে এ ধরনের ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষক রয়েছেন। তাঁরা অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে ও প্রার্থী হতে পেরেছেন। অথচ তাঁদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য করার যে সুপারিশ করা হয়েছে, তা বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’ বৈঠকে দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. ইজ্জত উল্লাহ, আবদুর রব ও মোবারক হোসাইন, সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান (মোমেন) ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ইয়াছিন আরাফাত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন সামনে রেখে দলটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নয় দফা দাবি জানিয়েছে। একজন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন; কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না—এটি বৈষম্যমূলক।’ তিনি সুপারিশ বাতিলের দাবি জানান। এছাড়া নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের পদধারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
‘আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে এমন নিয়োগ থাকা উচিত নয়, যা প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর আগারগাঁও, নির্বাচন কমিশন ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার (এমপিওভুক্ত শিক্ষক), ৯ (দফা দাবি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!