📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কোরআনে বর্ণিত দাম্পত্য জীবনের দায়িত্ব ও কর্তব্য: স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্য

কোরআনে বর্ণিত দাম্পত্য জীবনের দায়িত্ব ও কর্তব্য: স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্য

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কোরআনে স্বামী-স্ত্রীর দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। স্বামীর দায়িত্ব হলো স্ত্রীর খাদ্য, বাসস্থান ও পোশাক নিশ্চিত করা, যেখানে স্ত্রী নিরাপদে থাকতে পারেন। অন্যদিকে স্ত্রীর কর্তব্য হলো স্বামীর আনুগত্য, সংসারের দেখাশোনা ও নিজের সতীত্ব রক্ষা করা। আল্লাহর নির্দেশে পরিবারের প্রধান হিসেবে স্বামীর কর্তব্য ও স্ত্রীর অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে

দাম্পত্য জীবনে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে কোরআন মাজিদে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে স্বামী-স্ত্রীকে একে অন্যের সঙ্গী হিসেবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে তারা পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও প্রশান্তি লাভ করতে পারে। কোরআনের সুরা রুমের ২১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তারা তোমাদের মধ্যে সঙ্গী-সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি হয়’।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্বামীর প্রধান দায়িত্ব হলো স্ত্রীর খাদ্য, বস্ত্র ও নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা — প্রস্তুত খাবার, সেলাই করা পোশাক ও ব্যক্তিগত ঘর-কক্ষ প্রদান করা।
  • 📌 স্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য স্বামী ছাড়া অন্য কেউ তার ঘরে প্রবেশ করতে পারবেন না, এমনকি শ্বশুর-শাশুড়িও নন।
  • 📌 স্ত্রীর অন্যতম কর্তব্য হলো স্বামীর বৈধ নির্দেশ পালন করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, স্বামীর আনুগত্য করে এমন স্ত্রী জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে।
  • 📌 স্বামী-স্ত্রীর একে অন্যকে সহযোগিতা করা সংসারের উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসচ্ছল স্বামীর সংসারে স্ত্রী কাজকর্ম করলে তা উপার্জনে সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে।
  • 📌 শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত করলে স্ত্রী নফল ইবাদতের সওয়াব পাবেন, কিন্তু জোর করা যাবে না। পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে আত্মীয়স্বজনের সেবায় বাধ্য করা হারাম।
  • 📌 স্বামী স্ত্রীকে পর্দা লঙ্ঘন করে আত্মীয়স্বজনের সেবায় বাধ্য করলে তিনি ‘দাইয়ুস’ ও ‘ফাসিক’ হিসেবে গণ্য হবে।
  • 📌 স্বামী-স্ত্রী উভয়েই পারিবারিক কাজে সহযোগিতা করতে পারেন। সামর্থ্যবান স্বামী একজন নারী ও একজন পুরুষ কর্মী নিয়োগ দিতে পারেন।

📰 বিস্তারিত

কোরআনে স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে আল্লাহর নির্দেশনা রয়েছে। সুরা বাকারা ১৮৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক’ — অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সুরক্ষা ও সেবা প্রদান করবেন। সুরা নিসা ৩৪ নম্বর আয়াতে স্বামীর দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে: ‘পুরুষেরা নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল বা রক্ষক, যেহেতু আল্লাহ একের ওপর অন্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং তারা তাদের সম্পদ থেকে ব্যয়ও করে।’

স্বামীর দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে স্ত্রীর খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থান নিশ্চিত করা। খাদ্য বলতে প্রস্তুত খাবার বোঝায় — চাল, ডাল, লবণ ও তেল কিনে দিলেই সেটি খাদ্য নয়। সুতরাং স্বামীর সামর্থ্য থাকলে স্ত্রীকে রান্না করা খাবার পরিবেশন করতে হবে। পোশাক বলতে প্রস্তুত পোশাক বোঝায় — থানকাপড়কে পোশাক বলা যায় না। সুতরাং পোশাক সেলাই করানো, ধোয়ানো ও স্ত্রীর জন্য প্রস্তুত রাখার দায়িত্বও স্বামীর। স্বামী স্ত্রীকে এমন একটি বাড়ি বা ঘর দেবেন, যেখানে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না — এমনকি স্বামীর মা-বাবা, ভাইবোনও নন।

স্ত্রীর অন্যতম কর্তব্য হলো স্বামীর আনুগত্য। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নারী যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজান মাসে রোজা রাখে, নিজের সতীত্ব ও সম্ভ্রম রক্ষা করে শালীনতা বজায় রেখে চলে এবং স্বামীর আনুগত্য করে, তখন সে জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে’। স্বামীর সংসারের দেখাশোনা করা এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করাও স্ত্রীর অন্যতম দায়িত্ব। আল্লাহ বলেছেন, ‘তবে সৎকর্মশীলা নারী বা সাধ্বী রমণীরা অনুগতা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালেও তারা তা সংরক্ষণ করেন’।

স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সহযোগিতা সংসারের উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অসচ্ছল স্বামীর সংসারে স্ত্রী কাজকর্ম করলে তা উপার্জনে সহায়তা হিসেবে গণ্য হবে। শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত করলে স্ত্রী নফল ইবাদতের সওয়াব পাবেন, কিন্তু জোর করা যাবে না। পর্দার বিধান লঙ্ঘন করে আত্মীয়স্বজনের সেবায় বাধ্য করা হারাম। স্বামী স্ত্রীকে পর্দা লঙ্ঘন করে আত্মীয়স্বজনের সেবায় বাধ্য করলে তিনি ‘দাইয়ুস’ ও ‘ফাসিক’ হিসেবে গণ্য হবে।

"আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে অন্যতম হলো, তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গী-সঙ্গিনী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।" — সুরা রুম, আয়াত ২১

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (কোরআনের আলোচনা)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাসুলুল্লাহ (সা.), হজরত উমর (রা.), আবদুল্লাহ (রা.)
  • 📖 উল্লেখিত কোরআনের আয়াত: সুরা রুম ২১, সুরা বাকারা ১৮৭, সুরা নিসা ৩৪

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖