📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সরাইল থানার ওসিকে আওয়ামী লীগের চোর বলে আক্রমণ করেন। দুর্গাপূজা পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তোলার পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বাক্যবিনিময় হয়। ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া রুমিন ফারহানাকে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে অভিযোগ করেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ বাক্যবিনিময় ঘটে। দুর্গাপূজা পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তোলার পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ কথাবার্তা হয়। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুমিন ফারহানা সরাইল থানার ওসিকে আওয়ামী লীগের চোর বলে আক্রমণ করেন এবং বলেন, ‘আপনি আওয়ামী লীগের চোর ওসি’।
- 📌 ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া রুমিন ফারহানাকে অভিযোগ করেন যে, তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নিরাপত্তা দিতে অস্বীকার করেন এবং বলেন, ‘আপনি রাজ্জিকে ধরতে নিষেধ করেছেন’।
- 📌 দুর্গাপূজা পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তোলার জন্য রুমিন ফারহানা রাত ৮টায় সরাইল থানায় উপস্থিত হন।
- 📌 ওসির কক্ষে অবস্থানকালে একজন ব্যক্তি ওসিকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন, কিন্তু ওসি তা অস্বীকার করেন।
- 📌 পুলিশ সুপার মু. জালাল উদ্দিন ফাহিমের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দুর্গাপূজা পরিদর্শনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ তোলার জন্য সরাইল থানায় উপস্থিত হন। তিনি ওসিকে বলেন, ‘আপনি আওয়ামী লীগের চোর ওসি’। ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জবাবে বলেন, ‘আপনি আওয়ামী লীগের লোকদের সব সময় শেল্টার দেন, তাদের ধরতে গেলে আপনি নিষেধ করেন। আমার কাছে লিস্ট আছে। আপনি রাজ্জিকে ধরতে নিষেধ করেছেন’।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘তিনি বলেন যে আমি নির্বাচিত এমপি, ওনার নিরাপত্তা মানুষ দেবে। আমার নিরাপত্তা লাগবে। আর ওনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, মাটি কাটা থেকে পয়সা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এলাকাটা দাঙ্গাপ্রবণ। দাঙ্গা হওয়ার পর যখন সব শান্ত হয়, তখন তারা যান।’ তিনি আরও বলেন, ‘আপনি একজন নির্বাচিত এমপিকে এভাবে বলতে পারেন না। আওয়ামী লীগের চোর ওসি’।
ঘটনার সময় ওসির কক্ষে রুমিন ফারহানার সঙ্গে যাওয়া একজন ব্যক্তি ওসিকে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। ওসি তা অস্বীকার করেন এবং বলেন, ‘ওই ব্যক্তিকে রুমিন ফারহানা শিখিয়ে থানায় নিয়ে এসেছেন’। ওসি আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শত শত লোক নিয়ে থানায় এসে অস্থিরতা তৈরি করেন।’
"আপনি তো বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন। আপনার হিস্ট্রি তো আমি জানি স্যার। যাই হোক, সেটা নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সরাইল থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমিন ফারহানা (সংসদ সদস্য), মনজুর কাদের ভূঁইয়া (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা (অভিযোগিত টাকা), ২২ অক্টোবর (ঘটনার তারিখ), ৮ টা (রাত), ৯ টা (ওসির কক্ষে অবস্থান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!