📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসিকে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক পাঠানোর দাবি করা হলেও পুলিশ নাকচ করে দিয়েছে। ভিডিওতে আওয়ামী লীগের দাবি ছিল ‘বার্তা’ পাঠানোর উদ্দেশ্যে, কিন্তু পুলিশ বলছে ঘটনাটি ভুয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসিকে শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে কেক পাঠানোর দাবি করা হলেও পুলিশ প্রশাসন নাকচ করে দিয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে টিএ রোডের ফকিরাপুল এলাকায় কেক রেখে যাওয়া ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে অজ্ঞাত ব্যক্তি দাবি করেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ওসিকে কেক পাঠানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসিকে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কেক পাঠানোর দাবি করা হলেও পুলিশ ঘটনাটিকে ভুয়া বলে দাবি করেছে
- 📌 ভিডিওতে বলা হয়, কেকটি ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে’ ওসিকে পাঠানো হয়েছে
- 📌 কেকের ওপর লেখা ছিল ‘শুভ জন্মদিন শেখ হাসিনা’ এবং জাতীয় পতাকার ছবিও আঁকা ছিল
- 📌 ওসি খাইরুল আলম বলেন, ‘কেক রেখে যাওয়ার ঘটনার বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই’
- 📌 জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী দাবি করেন, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এই শহরে কোনো অস্তিত্ব নেই’
📰 বিস্তারিত
সোমবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার টিএ রোডের ফকিরাপুল এলাকায় একটি কেক রেখে যাওয়া ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠে। ভিডিওতে অজ্ঞাত ব্যক্তি বলেছেন, শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানার ওসিকে কেক পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, ‘পুলিশ প্রশাসনের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রত্যাশা’ এবং ‘জুলাই আন্দোলনে নিহত পুলিশ সদস্যদের বিচার’ বিষয়ে উল্লেখ করেছেন। কেকের ওপর লেখা ছিল ‘শুভ জন্মদিন শেখ হাসিনা’ এবং ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ওসির জন্য’। কেকটিতে জাতীয় পতাকার ছবিও আঁকা ছিল।
এই ঘটনার পিছনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দাবি করা হয় যে, বর্তমান ওসি খাইরুল আলম যোগদানের পর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন বেড়েছে। এ কারণে কেক রেখে যাওয়া একটি ‘বার্তা’ হিসেবে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হলেও এ দাবির পক্ষে কোনো স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী বলেন, ‘বাস্তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এই শহরে কোনো অস্তিত্ব বা ভিত্তি নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করার উদ্দেশে তারা এসব করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়া সম্ভব নয়। আমরা তাদের বিষয়ে সতর্ক ও সোচ্চার রয়েছি।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি খাইরুল আলম বলেন, ‘কেক রেখে যাওয়ার ঘটনার বাস্তবে কোনো ভিত্তি নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশে এ ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।’
"বাস্তবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এই শহরে কোনো অস্তিত্ব কিংবা ভিত্তি নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করার উদ্দেশে তারা এসব করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা, টিএ রোডের ফকিরাপুল এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি খাইরুল আলম, সদস্যসচিব সমীর চক্রবর্তী, অজ্ঞাত ব্যক্তি (ভিডিওতে)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!