📌 বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল আলিম ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন, জয়পুরহাটের জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণকৃত ল্যাপটপ ও সার ডিলারশিপে অনিয়ম ও আত্মীয়প্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে। দলের মধ্যে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ফয়সাল আলিম ফেসবুকে একটি পোস্ট প্রকাশ করে জয়পুরহাট জেলায় জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণকৃত ল্যাপটপ ও সার ডিলারশিপ বণ্টনে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর পোস্টে ল্যাপটপের বিতরণে ‘ভাগাভাগি’ ও আত্মীয়প্রিয়তার দাবি উঠেছে, যা দলের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফয়সাল আলিমের ফেসবুক পোস্টে: “ল্যাপটপগুলি ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন” — গত ছয় মাসে ২০-৩০ শতাংশ ল্যাপটপ ‘খাওয়া’ হয়েছে বলে অভিযোগ
- 📌 সার ডিলারশিপে আত্মীয়দের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ — শাশুড়ি, শ্যালক ইত্যাদি নামে ডিলারশিপ বিতরণের কথা উল্লেখ
- 📌 স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেনের ইঙ্গিত — “মেম্বার-চেয়ারম্যান বিক্রি হচ্ছে” বলে অভিযোগ
- 📌 জামায়াতের প্রচারের সুযোগ হিসেবে বিএনপির অভিযোগকে উল্লেখ — জিল্লুর রহমানের দাবি: ফয়সাল আলিমের বক্তব্য ও ‘হিংসার’ কারণে মাসুদ রানা পরাজিত
- 📌 জয়পুরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন: ফয়সাল আলিমের পোস্টে “কেউ স্ট্যাটাস দিল, তাঁর কিছুই মনে হয়নি”
📰 বিস্তারিত
ফয়সাল আলিমের ফেসবুক পোস্টে জানানো হয়েছে, গত ছয় মাসে বিতরণকৃত ল্যাপটপের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ‘খাওয়া’ হয়েছে। তিনি লিখেছেন, “ল্যাপটপগুলি ভাগাভাগি করে নিজেদের মধ্যে খেয়ে ফেললেন”। সার ডিলারশিপ বিতরণেও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তাঁর মন্তব্য, “এমনভাবে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে, যাতে নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের কেউ সুযোগ পাননি”। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, “কেউ শাশুড়ির নামে, কেউ শ্যালকের নামে নিয়েছেন”।
পোস্টের মন্তব্য ঘরে তারিক হোসেন খান লিখেছেন, “আরও খাওয়া আছে তো। এখন মেম্বার-চেয়ারম্যান বিক্রি হচ্ছে, ওরা বলছে আসো, সবাই আসো, টাকা দাও, টিকিট নাও”। এতে স্থানীয় নির্বাচনে অর্থ লেনদেনের ইঙ্গিত রয়েছে। অন্যদিকে, বেলাল হোসেন ফয়সাল আলিমের পোস্টের সমালোচনা করে বলেছেন, “কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও সামনে আনা উচিত”। তাঁর মতে, এ ধরনের পোস্টে দলের ভেতরে বিতর্ক ও কোন্দল সৃষ্টি হচ্ছে।
জিল্লুর রহমান ফয়সাল আলিমের পোস্টকে জামায়াতের প্রচারের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, “বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে এভাবে লিখলে জামায়াতই সুবিধা পাবে”। তিনি আরও দাবি করেছেন, ফয়সাল আলিমের বক্তব্য ও ‘হিংসার’ কারণে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান পরাজিত হয়েছেন। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো তথ্য দেননি।
"কারা ল্যাপটপ ভাগাভাগি করল, সেটি জয়পুরহাটবাসী জানে। আবার বিভিন্ন প্রকল্পের পারসেন্টেজের বিষয়টিও জানে। সত্যি কথা বলতে হবে।"
ফয়সাল আলিম প্রথম আলোকে বলেছেন, “আমি স্ট্যাটাস দিয়ে দলের বিরুদ্ধে নয়, দলের পক্ষে কথা বলেছি। কারণ, দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোনো অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেন না”। তবে তিনি নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রকল্প বা নথির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জয়পুরহাট জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফয়সাল আলিম (বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য), তারিক হোসেন খান, বেলাল হোসেন, জিল্লুর রহমান, মাসুদ রানা, গোলজার হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০-৩০ শতাংশ ল্যাপটপ ‘খাওয়া’ হয়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!