📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ফরিদপুরের বিএনপি সমাবেশে বলেছেন, ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতের। তিনি ১৭ বছর স্বৈরাচার ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নকে প্রশংসা করেছেন
ফরিদপুরের নগরকান্দায় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিএনপি আয়োজিত সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতের। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধী দল যদি বিরোধী ভূমিকা পালন না করে, তাহলে ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ফরিদপুরে বিএনপি সমাবেশে বলেছেন, ফ্যাসিবাদ ফিরলে দায় জামায়াতের
- 📌 তিনি ১৭ বছর স্বৈরাচার ও নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের আড়াল করা যাবে না
- 📌 বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি নিয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেছেন, বর্তমান সরকার সুচারুভাবে খাত উন্নয়ন করছে
- 📌 বিএনপি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেছেন, দলের মধ্যে স্বৈরাচারী শক্তি প্রবেশ করতে দেবেন না
📰 বিস্তারিত
শামা ওবায়েদ ইসলাম শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেছেন, “১৭ বছর নির্যাতন, হামলা, গুম দেখেছি। ছাত্র-জনতা স্বৈরাচারকে পরাজিত করেছে, কিন্তু আবার ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে।” তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি করার অভিযোগ তুলে বলেছেন, “ইউনূস সরকারের সময়ও বিদ্যুৎ খাতে কোনো কাজ হয়নি। বর্তমান সরকার নিজেদের সম্পদ কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে।”
সমাবেশে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেছেন, “দলের মধ্যে স্বৈরাচারী শক্তি প্রবেশ করতে দেবেন না। মুক্তিযোদ্ধাদের যারা আড়াল করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বিএনপির অবস্থান রয়েছে।” মিছিলটি নগরকান্দা সদর পেট্রোল পাম্প থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে নগরকান্দা এমএন একাডেমি মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।
"১৭ বছর নির্যাতন দেখেছি, হামলা-মামলা দেখেছি, গুম দেখেছি। ছাত্র-জনতা যখন স্বৈরাচারকে পরাজিত করেছে, তখন আবার ফ্যাসিবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নগরকান্দা, ফরিদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর (স্বৈরাচার ও নির্যাতনের সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!