📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গণতন্ত্রে শালীনতা বজায় রাখতে হবে: বিএনপির রিজভী

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: রুহুল কবীর রিজভী রুহুল কবীর রিজভী
গণতন্ত্রে শালীনতা বজায় রাখতে হবে: বিএনপির রিজভী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্রে বিরোধী দলের অধিকার স্বীকার করলেও রাজনৈতিক বক্তব্যে শালীনতা ও মার্জিত ভাষা ব্যবহারের দাবি জানান। তিনি রুহুল আমিন গাজীর স্মরণে আলোচনা সভায় ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরেন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্রে বিরোধী দলের অধিকার স্বীকৃতি দিলেও রাজনৈতিক বক্তব্যে শালীনতা ও মার্জিত ভাষা ব্যবহারের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের অধীনে বিরোধী দলের কর্মসূচি পালন ও সরকারের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বক্তব্যে অবমাননাকর ভাষা বা অবজ্ঞাজনক শব্দ ব্যবহার গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গণতন্ত্রে বিরোধী দলের কর্মসূচি পালন ও সরকার সমালোচনার অধিকার স্বীকৃত, কিন্তু অবমাননাকর ভাষা নিষিদ্ধ
  • 📌 রিজভী বলেন, সাম্প্রতিক দুটি লংমার্চে বিএনপি নেতাকর্মীদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি
  • 📌 রুহুল আমিন গাজীর স্মরণে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন কখনো টিকে থাকতে পারে না
  • 📌 খালেদা জিয়া রুহুল আমিন গাজীর ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানকে গুরুত্ব দিতেন বলে রিজভী
  • 📌 গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) উদ্যোগে রুহুল আমিন গাজীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রিজভী বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে বিরোধী দলের কর্মসূচি পালন ও সরকারের সমালোচনা করার অধিকার রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বক্তব্যে অবমাননাকর ভাষা বা অবজ্ঞাজনক শব্দ ব্যবহার গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ নয়। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দুটি লংমার্চে বিএনপি নেতাকর্মীদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।

রিজভী রুহুল আমিন গাজীর স্মরণে বলেন, তিনি একজন সাংবাদিক ছিলেন যিনি ফ্যাসিবাদের পক্ষে কোনো বক্তব্য দিতে পারেননি। তৎকালীন সরকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়া অনেক সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী থাকলেও রুহুল আমিন গাজী নিপীড়ন-নির্যাতন সহ্য করেও নিজের অবস্থানে ছিলেন। তিনি বলেন, রুহুল আমিন গাজীর ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থান খালেদা জিয়া গুরুত্ব দিতেন। সাংবাদিকদের ভূমিকা ও কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি জানতে চাইতেন।

রিজভী আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ বা একনায়কতন্ত্র কিছুদিন টিকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে না। রুহুল আমিন গাজীর মতো মানুষেরা নিপীড়ন-নির্যাতন সহ্য করেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ঐক্য ও বোঝাপড়া থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

"গণতন্ত্র মানে যা ইচ্ছা তা-ই বলা নয়। রাজনৈতিক বক্তব্যে তীব্র সমালোচনা করা গেলেও সেখানে মার্জিত ভাষা ব্যবহার করা উচিত। বিরোধী দলের কর্মসূচি ও বক্তব্যের অধিকার যেমন রয়েছে, তেমনি রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও শালীনতা বজায় রাখা প্রয়োজন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, জাতীয় প্রেসক্লাব
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (রুহুল আমিন গাজীর মৃত্যুবার্ষিকী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖