📌 বরিশালের বিমানবন্দর থানায় বিএনপি নেতা ফিরোজ শরীফকে সকাল থেকে আটকে রাখা হয়েছে। সাবেক ছাত্রদল নেতা আশিক হাওলাদার জিডি তুলে নেওয়ার চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বালু ব্যবসার বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে
বরিশালের বিমানবন্দর থানায় বিএনপি নেতা ফিরোজ শরীফকে সকাল থেকে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাবেক ছাত্রদল নেতা আশিক হাওলাদারকে জিডি তুলে নেওয়ার চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ফিরোজ। বালু ব্যবসার আর্থিক বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিরোজ শরীফকে বরিশাল বার লাইব্রেরি থেকে আশিক হাওলাদার ও তাঁর লোকজন গাড়িতে তুলে নিয়ে বিমানবন্দর থানায় নিয়ে যান।
- 📌 ২৯ সেপ্টেম্বর নথুল্লাবাদে ফিরোজকে জোরপূর্বক ৩টি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়।
- 📌 থানায় পৌঁছানোর পরও আশিক ফিরোজকে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন।
- 📌 ফিরোজের স্ত্রী ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদা আক্তার বলেছেন, থানায় আটকাবস্থায় তাঁদের ছাড়ছেন না পুলিশ।
- 📌 বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেছেন, আইন অনুযায়ী কেউ জিডি তুলে নিতে পারে না।
- 📌 পুলিশের ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ফিরোজ নিজেরাই থানায় এসেছেন এবং নিরাপদে আছেন।
📰 বিস্তারিত
বরিশালের বিমানবন্দর থানায় বিএনপি নেতা ফিরোজ শরীফকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আটকে রাখা হয়েছে। ফিরোজ জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর নথুল্লাবাদে তাঁকে জোরপূর্বক ৩টি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয়। ওই ঘটনায় তিনি বিমানবন্দর থানায় জিডি করেন। আজ সকালে মামলা করার উদ্দেশ্যে তিনি বরিশাল আদালতের বার লাইব্রেরিতে যান। সেখান থেকে আশিক হাওলাদার ও তাঁর লোকজন তাঁকে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে বিমানবন্দর থানায় নিয়ে যান।
থানায় পৌঁছানোর পরও আশিক ফিরোজকে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। ফিরোজ দাবি করেন, তিনি বাদী হলেও আসামি তাঁকে ধরে নিয়ে থানায় গিয়ে জিডি তুলতে বলছে। তিনি থানাতেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলম সিকদার জানান, ‘সকালে ফিরোজ ফোন দিয়ে জানান আশিক তাঁকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। পরে শুনি তিনি থানায় আছেন। আসামি কীভাবে বাদীকে ধরে থানায় নেয়।’
অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা আশিক হাওলাদার বলেন, বালু ব্যবসার আর্থিক বিরোধ মীমাংসার জন্য ফিরোজসহ কয়েকজন স্বেচ্ছায় থানায় গেছেন। ওসি সাহেব বিষয়টি সমাধান করে দেবেন, তবে ব্যস্ততার কারণে বসতে পারেননি। সন্ধ্যায় বসার কথা রয়েছে।
এদিকে, ফিরোজের স্ত্রী ও মহিলা দলের ২২ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মাকসুদা আক্তার বলেন, ‘সকাল থেকে তিনিসহ আমি থানাতেই আছি। পুলিশ আমাদের ছাড়ছে না। আশিকের বিরুদ্ধে জিডি করার কারণেই আমাকে ধরে আনা হয়েছে।’
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘আইন কেউ হাতে তুলে নিতে পারে না। ফিরোজ বিএনপির একজন সদস্য। শুনেছি তাঁকে আদালত চত্বর থেকে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগ ছাড়া থানায় এত সময় আটকে রাখতেও পারে না।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, ‘এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। পুলিশ কাউকে ধরে আনেনি, তাঁরা নিজেরাই এসেছেন। তিনি আমাদের হেফাজতে নিরাপদেই আছেন, ব্যস্ততা শেষে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলা হবে।’
"বালু ব্যবসার আর্থিক বিরোধ মীমাংসার জন্য ফিরোজসহ কয়েকজন স্বেচ্ছায় থানায় গেছেন। ওসি সাহেব বিষয়টি সমাধান করে দেবেন, তবে ব্যস্ততার কারণে বসতে পারেননি। সন্ধ্যায় বসার কথা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বরিশাল, বিমানবন্দর থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফিরোজ শরীফ, আশিক হাওলাদার, মাকসুদা আক্তার, জিয়াউদ্দিন সিকদার, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর, ৩টি স্ট্যাম্প, ৪ নম্বর ওয়ার্ড, ২২ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!