📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিএনপির সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, দলের উদ্দেশ্য ছিল তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে অবসান করা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর দল থেকে বহিষ্কৃত হন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিএনপির সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, দলের সিদ্ধান্ত ছিল তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে অবসান করা। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিএনপির সিদ্ধান্ত ছিল তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ করা
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, দলের উদ্দেশ্য ছিল তার ক্যারিয়ারকে অবসান করা এবং সম্ভবত সংরক্ষিত আসনে রাখা
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে তিনি গত আট-নয় বছর ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন
- 📌 দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন এবং বিএনপি তাকে বহিষ্কার করে
- 📌 ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে
📰 বিস্তারিত
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা টকশোতে বলেছেন, ‘বিএনপির সিদ্ধান্তটা ছিল আমার ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়ার।’ টকশোর উপস্থাপক তাকে প্রশ্ন করেন, ‘এত বছর বিএনপির হয়ে কথা বলেছেন। হঠাৎ কেন আপনার ওপর আক্রোশটা হবে?’ জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেক কারণ থাকতে পারে।’ তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘কখনো কি চিন্তা করে দেখেছেন, আপনি করপোরেট অফিসে চাকরি করেন। কখনো যদি আপনার বসের মনে হয়, আপনি তার চেয়ে বেশি পারদর্শী?’
বিএনপির সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সো, অ্যানিহাউ, ইটস বিএনপির ডিসিশন। এটা নিয়ে আসলে সাত মাস পার হয়ে গেছে। আমি অনেক দিন ধরেই এ বিষয়ে কথা বলছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি চেয়েছিল আমার ক্যারিয়ার শেষ করে দিতে। আমাকে আবারও হয়তো সংরক্ষিত আসনে দিত কি না, তা-ও জানি না; ওখানে ঢুকিয়ে রাখত।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নিজের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তো এই আসনে গত আট-নয় বছর কাজ করেছি। আমি তো আসনের পালস বুঝি। আপনার কী ধারণা, পালস না বুঝে নেমে গেছি মাঠে?’ তিনি বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে কথা না বলেই আমি আমার পুরো ক্যারিয়ার বাজি ধরেছি?’
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় রুমিন ফারহানাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন রুমিন ফারহানা। জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেওয়াকে দলীয় শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তের পরিপন্থি বিবেচনা করে তাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।
"বিএনপির সিদ্ধান্তটা ছিল আমার ক্যারিয়ার শেষ করে দেওয়ার। সো, অ্যানিহাউ, ইটস বিএনপির ডিসিশন। এটা নিয়ে আসলে সাত মাস পার হয়ে গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর (টকশো), ৩০ ডিসেম্বর (বহিষ্কার বিজ্ঞপ্তি), ২০২৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!