📌 বিএনপির রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং ভারতের কৃতদাসত্বে পড়েছিল। তিনি বলেছেন, ১৬-১৭ বছরে দেশের সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণ করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য দুর্বল হয়ে পড়েছিল এবং দেশটি দিল্লির কৃতদাসত্বে পড়েছিল। তিনি বলেছেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছরে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং ভারতের কৃতদাসত্বে পড়েছিল।
- 📌 তিনি বলেছেন, ১৬-১৭ বছরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণ করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভারতীয় প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।
- 📌 লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সোনাদানা, হীরা-জহরত এবং দেশের সম্পদ ভারতকে দান করার মতো কোনো বিষয় ছিল না।
- 📌 বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কাজী জেসিন বলেছেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা উভয়ই হারিয়ে গিয়েছিল।
- 📌 তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, হাসিনার পতনের পরও সাংস্কৃতিক চর্চায় ধর্মের অজুহাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
রুহুল কবির রিজভী লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বরে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কোনো দেশের সংস্কৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করে সেই দেশের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা সহজ হয়। এ কারণে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভারতীয় প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।
রিজভী উল্লেখ করেন, পার্শ্ববর্তী দেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের প্রাধান্য দেওয়া এবং ভারতীয় সিনেমা বাংলাদেশের সিনেমা হলগুলোতে প্রদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এসব পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সে সময় বড় ধরনের প্রতিবাদ দেখা যায়নি, যা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য উদ্বেগজনক।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কাজী জেসিন বলেন, ‘বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের শাসনামলে শুধু আমাদের গণতন্ত্রের অধিকার হরণ করা হয়নি, বরং সাংস্কৃতিক চর্চা ও মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে আমরা গণতান্ত্রিক মুক্তি অর্জন করেছি। কিন্তু সাংস্কৃতিকভাবে কি আমরা মুক্তি পেয়েছি? এখনো পাইনি। কারণ, হাসিনার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা আরেক ধরনের সংকটের মধ্যে পড়েছি। তখন ধর্মের অজুহাতে সাংস্কৃতিক চর্চা ব্যাহত হতে দেখেছি। শিল্পীরা পরিবেশনা করতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালাম, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনও বক্তব্য দেন।
"কোনো দেশের সংস্কৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে সেই দেশের ওপর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা সহজ হয়। এ কারণে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভারতীয় প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি পায়রা চত্বর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী, কাজী জেসিন, আবদুস সালাম, নাছির উদ্দীন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬-১৭ বছর, ১৩৬তম তিরোধান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!