📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী 'আইডিয়া ফেস্ট ২০২৫'-এ বলেছেন, শেখ হাসিনার আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক পরিসর সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের স্বাধীন মতপ্রকাশ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হত
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আইডিয়া ফেস্ট ২০২৫’-এর ফাইনাল অনুষ্ঠানে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনার আমলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণতান্ত্রিক পরিসর সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকারও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শেখ হাসিনার আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতন্ত্রের পুরোপুরি অবসান ঘটানো হয়েছিল — রুহুল কবির রিজভী
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীন মতপ্রকাশ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া হত
- 📌 পৃথিবীর অন্যান্য একনায়কতান্ত্রিক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু স্বায়ত্তশাসন বজায় থাকে, কিন্তু বাংলাদেশে তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
- 📌 বর্তমান সরকারের অধীনে তরুণদের মুক্তচিন্তা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে
- 📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে বিশ্লেষণী চিন্তা ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব বাড়ছে
- 📌 জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
‘আইডিয়া ফেস্ট ২০২৫’-এর ফাইনাল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, শেখ হাসিনার আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে গণতান্ত্রিক সুযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেছেন, সেই সময়ে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারতেন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের পথও রুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।
রিজভী আরও বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য একনায়কতান্ত্রিক বা সামরিক শাসিত দেশগুলোয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কিছুটা স্বায়ত্তশাসন ও কথা বলার অধিকার বজায় থাকে। কিন্তু শেখ হাসিনার আমলে সেই সুযোগটুকুও পুরোপুরি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তিনি তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেন, বর্তমান স্বাধীন পরিবেশে তাদের মেধা, মনন ও মুক্তচিন্তার চর্চা আরও বাড়িয়ে দিতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তরুণদের সৃজনশীল চিন্তা ও বাস্তব সমস্যার সমাধানের সক্ষমতার ওপর। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে বিশ্লেষণী চিন্তা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার গুরুত্ব বাড়বে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ হালিম বলেন, ফাউন্ডেশন ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া ঠেকানো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে।
"শেখ হাসিনার আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণতন্ত্রের পুরোপুরি অবসান ঘটানো হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকারও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মুজাফ্ফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী, এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ফরহাদ হালিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫ (আইডিয়া ফেস্টের বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!