📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের উসকানি রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলন নয়, বরং রাজনৈতিক উসকানি ও সহিংসতার পেছনে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের ভূমিকা রয়েছে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পোশাকশিল্পসহ দেশের বিভিন্ন খাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের উসকানি রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও সমস্যার সমাধান ইতিমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে, কিন্তু কারখানা ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে আগুন, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একজন শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে পলাতক আওয়ামী লীগ ও সহযোগীদের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
- 📌 সহিংসতার পেছনে জড়িত ও উসকানিদাতা হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া অধিকাংশ নেতা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য
- 📌 কারখানার মালিকদের পরিচয় ধীরে ধীরে প্রকাশ পাচ্ছে, যারা এই অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে জড়িত
- 📌 ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে
- 📌 শনিবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 📌 আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাধারণ জনগণ বিশৃঙ্খলা প্রতিহতের জন্য প্রস্তুত
📰 বিস্তারিত
সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে ইতিমধ্যে আলোচনা ও সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। কিন্তু কারখানা ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে আগুন, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একজন শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখে না। এসব সহিংসতার পেছনে প্রকৃত শ্রমিক আন্দোলনের পরিবর্তে রাজনৈতিক উসকানি ও সহিংসতার ভূমিকা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় জড়িত ও উসকানিদাতা হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া অধিকাংশ নেতা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য।
পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, পরাজিত শক্তি কি আবার ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটাতে চায়? নাকি গুম-খুনের পুরোনো সংস্কৃতি আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে? তিনি বলেন, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি না করতে বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। রিজভী জানান, দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শোভাযাত্রা বের করা হবে। নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে শোভাযাত্রাটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার আশঙ্কা থাকলেও রিজভী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরোপুরি সক্ষম ও প্রস্তুত রয়েছে। সাধারণ জনগণও যেকোনো বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে সচেষ্ট থাকবে।
"আগুনে ঘি ঢেলে উত্তেজনা সৃষ্টির উসকানি শেষ পর্যন্ত সব পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়াপল্টন, রাজধানী ঢাকা; বাংলামোটর, ফার্মগেট, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব), তারেক রহমান (বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর (জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!