📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৪:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএনপি সরকারের গোয়েন্দা-অপারেশন ও দুর্নীতির অভিযোগ: হাসনাত আবদুল্লাহ ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে আখ্যায়িত করলেন

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
বিএনপি সরকারের গোয়েন্দা-অপারেশন ও দুর্নীতির অভিযোগ: হাসনাত আবদুল্লাহ ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে আখ্যায়িত করলেন

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপি সরকারের বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার ও ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে দুর্নীতির তীব্র সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই পদক্ষেপ ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক ফ্যাসিবাদী চরিত্র’। তিনি ডিপিএম পদ্ধতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার অনিয়মেরও অভিযোগ তুলেছেন

বিএনপি সরকারের বিরোধীদলের ওপর রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার ও ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে দুর্নীতির তীব্র সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই পদক্ষেপ ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক ফ্যাসিবাদী চরিত্র’। তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সরকারের কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **গোয়েন্দা সংস্থা বিরোধীদলের ওপর নজরদারি**: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বিরোধীদলের ওপর নজরদারি চালানোর বার্তা ‘প্রমাণিত ফ্যাসিবাদী’ বলে আখ্যায়িত করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
  • 📌 **ডিপিএম পদ্ধতির দুর্নীতি**: উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি এড়িয়ে ডিপিএম পদ্ধতিতে ফ্যামিলি ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
  • 📌 **সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর লোগো ব্যবহার**: কার্ড প্রকল্পে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর লোগো ব্যবহার করে দুর্নীতির চক্রান্ত চলছে বলে দাবি করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।
  • 📌 **অতিরিক্ত বরাদ্দের অন্যায়**: ২০১০ কোটি টাকার অপখরচের প্রকল্প সাজানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
  • 📌 **বেসরকারি ব্যাংকের তুলনায় উচ্চ মূল্য**: বেসরকারি ব্যাংক থেকে ১২৫-১৩০ টাকায় প্লাস্টিক কার্ড পাওয়ার বিপরীতে ফার্মার কার্ডে ৩০০-৩৬৫ টাকা খরচের যৌক্তিকতা নেই বলে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

📰 বিস্তারিত

মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) তার ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন যে, ‘একজন প্রধানমন্ত্রী কি রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরি করার ঘোষণা প্রকাশ্যে দিতে পারেন?’ তিনি উল্লেখ করেছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি কোন দলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কথা নাকি দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করার কথা। তিনি বলেছেন, বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দা সংস্থা লেলিয়ে দেওয়ার এই সংস্কৃতি শেখ হাসিনার আমলকে মনে করিয়ে দেয়।

হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পে নানা অনিয়মের কথা শোনা গেলেও সরকার এ নিয়ে কোনো তদন্তের উদ্যোগ নেয়নি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ থেকে সরিয়ে শুধুমাত্র বিরোধী রাজনৈতিক দলের পিছনে লেলিয়ে দেওয়া এবং বিরোধী দলকে টার্গেট করে নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার করা প্রমাণিতভাবে ফ্যাসিবাদী চরিত্র।’

তিনি উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি এড়িয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি সরকার উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে বড় প্রকল্পে ডিপিএম পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছে।’ তিনি আরও দাবি করেছেন, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর মতো প্রতিষ্ঠানকে সামনে রাখা হলেও প্রকল্পের পেছনের কাজগুলো নিজেদের দলের নেতাদের পাইয়ে দেওয়ার ফন্দি আঁটছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ ফ্যামিলি কার্ড ও ফার্মার কার্ড প্রকল্পের আর্থিক অসঙ্গতির কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে ডেবিট কার্ড সরবরাহকারী একজন বিএনপি-এমপির প্রতিষ্ঠান ১২৫-১৩০ টাকায় প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে, সেখানে ফার্মার কার্ডে সর্বমোট দাম পড়ছে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৬৫ টাকা। এই যৌক্তিকতা কী?’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ডাটাবেজ করার নামে ২০১০ কোটি টাকা হাতানোর চক্রান্ত শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও মোবাইল ব্যাংকিং ডেটা ব্যবহার করে দারিদ্র্যের ডেটাবেজ তৈরি করা সম্ভব বলে তিনি দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতি ও লুটপাটের উদ্দেশ্য ছাড়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তথাপি ২০১০ কোটি টাকার অপখরচের প্রকল্প সাজানো হয়েছে।’

"রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ থেকে সরিয়ে শুধুমাত্র বিরোধী রাজনৈতিক দলের পিছনে লেলিয়ে দেওয়া এবং বিরোধী দলকে টার্গেট করে নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার করা প্রমাণিতভাবে একটি ফ্যাসিবাদী চরিত্র।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার), বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ), প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১০ কোটি টাকা (অপখরচ), ৩০০-৩৬৫ টাকা (ফার্মার কার্ডের খরচ), ১২৫-১৩০ টাকা (বেসরকারি ব্যাংকের কার্ডের খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖