📌 বিএনপি সরকারের সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, ক্ষমতায় আসার পর সরকার মানবাধিকার আইন বাতিল করে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেছেন, এই আইনগুলো জনগণের অধিকার কেড়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে
বিএনপি সরকারের প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ুম। তিনি বলেছেন, ক্ষমতায় আসার পর সরকার মানবাধিকার সংরক্ষণে আগের সরকারের প্রচেষ্টা বাতিল করে নিজস্ব স্বার্থে নতুন আইন প্রণয়নের চেষ্টা করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, বিএনপি সরকারের সাইবার সুরক্ষা আইন জনগণের অধিকার কেড়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
- 📌 আগের সরকারের মানবাধিকার আইন বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার জনগণের অধিকার হ্রাস করে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।
- 📌 সাইবার আইন সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার সংরক্ষণের পরিবর্তে সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা নিষিদ্ধ করার জন্য ব্যবহার করা হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
- 📌 মানহানি আইন রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অন্যকে হেনস্তা করা হচ্ছে।
- 📌 হাসনাত কাইয়ুম দাবি করেছেন, এই আইনগুলো জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, বিএনপি সরকারের সাইবার সুরক্ষা আইন শুধু সাইবার সুরক্ষার বিষয় নয়, বরং এটি জনগণের অধিকার কেড়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা বৃদ্ধির একটি অংশ। তিনি উল্লেখ করেছেন, আগের সরকারের অধিকারে থাকা মানবাধিকার সংরক্ষণে কিছু আইন ছিল, কিন্তু বিএনপি সরকার তা বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে জনগণের অধিকার হ্রাস করে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।
হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, “গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার ক্ষমতায় থাকে জনগণের সন্তুষ্টির ওপর ভর করে। তখন সরকার এমন আইন করে, যা জনগণের ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু বিএনপি সরকারের আইনগুলো জনগণের অধিকার কেড়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেছেন, এই আইনগুলো জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, মানহানি আইন রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে। যেখানে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অন্যকে হেনস্তা করা হচ্ছে। আদালত সেই মামলা গ্রহণ করে, মামলা চলে, আসামি গ্রেপ্তার হয়, জেলে যায়। এই প্রক্রিয়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য সাইবার আইনে নতুন নতুন অস্পষ্ট ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
হাসনাত কাইয়ুম বলেছেন, “এই আইনগুলো মানুষকে ভয় দেখানো ও হেনস্তা করার উপায়। মানবাধিকার কমিশনের আইনেও সেটা থাকত বা আরও শক্তিশালী করা হতো। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা তো পরের কথা, আপনি সঠিক সাংবাদিকতা করলেও এই আইনে যেসব ঢালাও বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা দিয়ে যেকোনো সময় আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।”
"আমি মনে করি, মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই আসলে। আমি মনে করি এর কোনো যৌক্তিকতা নেই, একদমই নেই। এগুলো আসলে মানুষকে ভয় দেখানো ও হেনস্তা করার উপায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত কাইয়ুম (বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬-৭ মাস (গত ছয়-সাত মাসে আইন প্রণয়নের সময়কাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!