📌 স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জামায়াতের সংসদ সদস্যদের এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি-অধিকৃত এলাকায় কোনো সার সংকট নেই। নির্বাচনকালীন সময়ে সার ডিলার নিয়োগের নতুন ব্যবস্থা ঘোষণা করেছেন তিনি
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জামায়াতের সংসদ সদস্যদের এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি-অধিকৃত এলাকায় সারের কোনো সংকট নেই এবং সার সংকটের কথা বলা হয়েছে সেসব এলাকায় যেখানে জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, রাজনৈতিক দল ও ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োগ করা’ ডিলাররা সার সংকটের কৃত্রিমতা সৃষ্টি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মীর শাহে আলম দাবি করেছেন, জামায়াতের সংসদ সদস্যদের এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে।
- 📌 বিএনপি-অধিকৃত এলাকায় সারের কোনো সংকট নেই, এমন দাবি করেছেন প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 রংপুর, কুড়িগ্রাম, নড়াইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলাগুলোতে সার সংকটের কথা বলা হয়েছে, যেখানে জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
- 📌 প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, সার ডিলার নিয়োগের নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।
- 📌 ৩০ জুন পর্যন্ত স্থানীয় নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
- 📌 নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
📰 বিস্তারিত
মীর শাহে আলম আজ বুধবার কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দল ও ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োগ করা’ ডিলাররা সার সংকটের কৃত্রিমতা সৃষ্টি করেছেন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সার সংকটের কথা বলা হয়েছে এমন সময়ে দেশের কোথাও সারের সংকট ছিল না। কুড়িগ্রামেও কোনো সংকট ছিল না।
গতকাল মঙ্গলবার প্রতিমন্ত্রী রংপুরের পীরগঞ্জে সার সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, ‘দেশে সারের কোনো সংকট নেই। যেসব জেলা থেকে বেহেশতিরা টিকিট বিক্রি করে নির্বাচিত হয়েছে, সারের সংকট ঠিক ওই জেলাগুলোতেই কৃত্রিমভাবে দেখানো হয়েছে’। তিনি সাংবাদিকদের সামনে একটি মানচিত্র প্রদর্শন করেন, যেখানে রংপুর, কুড়িগ্রাম, নড়াইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাকে লাল রঙে চিহ্নিত করে সারের সংকট হয়েছে এমন এলাকা বোঝানো হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার ডিলার নিয়োগের নতুন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে জেলা ও উপজেলা কমিটি প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে তিনজন করে ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেছে। যেসব এলাকায় সারের ডিলার পালিয়ে গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, সেসব এলাকার শূন্য পদেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, আগামী জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্বাচন শেষ করা হবে। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি নেবে না। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন সভায় অংশ নেন। সেখানে রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহমুদুল হক চৌধুরী, লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক মমিনুল, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান, সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
"একটি রাজনৈতিক দল ও ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োগ করা’ কিছু ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলেন। সার সংকটের কথা বলা হয়েছে এমন সময়ে দেশের কোথাও সারের সংকট ছিল না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম, রংপুর, পীরগঞ্জ, নড়াইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর শাহে আলম, সাইফুল ইসলাম, মাহমুদুল হক চৌধুরী, মমিনুল, মোস্তাফিজার রহমান, সোহেল হোসনাইন, হাসিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (জুন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!