📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অষ্টগ্রাম বিএনপির বিল বিরোধে নেতৃদ্বয়ের অসহযোগিতা: সংসদ সদস্যের সমঝোতা ভেঙ্গে পড়ছে

অষ্টগ্রাম বিএনপির বিল বিরোধে নেতৃদ্বয়ের অসহযোগিতা: সংসদ সদস্যের সমঝোতা ভেঙ্গে পড়ছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম শাহিনের মধ্যে বিল মাকশার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলছে। সমঝোতার পরও দুই নেতার মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় দলীয় কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিএনপির নেতৃদ্বয়ের মধ্যে বিল মাকশার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে দলীয় অস্বস্তি বাড়ছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের মধ্যস্থতায় বিলের নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, দুই নেতা সৈয়দ সাঈদ আহমেদ ও এস এম শাহিনের মধ্যে তৎপরতা বন্ধ থাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৫ সেপ্টেম্বর বিল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন; পুলিশ অভিযানে শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করে, কিন্তু মামলা হয়নি
  • 📌 ৩০ সেপ্টেম্বর সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের সমঝোতা সত্ত্বেও দুই নেতা একসঙ্গে বসেননি এবং ফোনে যোগাযোগও নেই
  • 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিলের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সাঈদ আহমেদের পক্ষের হাতে; শাহিন ৫০ লাখ টাকায় ইজারা নেন, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ পাননি
  • 📌 ২১ সেপ্টেম্বর নতুন ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে; ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে
  • 📌 সমঝোতায় সাঈদ আহমেদকে শাহিনের ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ এবং বিলের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, সাঈদ এখনো টাকা দেননি

📰 বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় বিএনপির নেতৃদ্বয়ের মধ্যে বিল মাকশার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে দলীয় অস্বস্তি বাড়ছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে শতাধিক বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে, তবে কোনো মামলা হয়নি। পরদিন জেলা বিএনপি সাঈদ আহমেদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। পরে তাঁর জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় নোটিশ প্রত্যাহার করা হয়।

দলীয় নেতা-কর্মীদের মতে, সমঝোতার পরও দুই নেতা একসঙ্গে বসেননি এবং ফোনে যোগাযোগও নেই। কেউ কেউ এক পক্ষ ছেড়ে অন্য পক্ষে যোগ দিচ্ছেন, যা দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত করছে। অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন আশরাফী বলেন, সংসদ সদস্য সমঝোতা করলেও দুই নেতার মধ্যে মনের মিল হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের কাছে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

বিল মাকশা হলো অষ্টগ্রামের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ জলমহাল। প্রতিবছর জেলা প্রশাসন থেকে বিলটি ইজারা দেওয়া হয়। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিলের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সাঈদ আহমেদের পক্ষের লোকজনের হাতে। পরে শাহিন তাঁর খালাতো ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলমের নামে ৫০ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকায় বিলটি এক বছরের জন্য ইজারা নেন। তবে ইজারা পেলেও তিনি নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি বলে অভিযোগ আছে। আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে ইজারামূল্য ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন শাহিন। মামলাটি এখনো চলছে।

দলীয় সূত্র বলছে, সমঝোতায় দুজনই ভেতরে–ভেতরে অসন্তুষ্ট ছিলেন। সাঈদ পক্ষের প্রত্যাশা ছিল, টাকা পরিশোধ না করেই বিলের অর্ধেকের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া। অন্যদিকে শাহিন চেয়েছিলেন, আগের বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিলের একক নিয়ন্ত্রণ। এর পর থেকেই দুই নেতার বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। গত ২১ সেপ্টেম্বর নতুন ইজারার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর দুজনই অংশ নেন। শাহিন ৫০ লাখ ১৩ হাজার ৭৫০ টাকায় আবারও বিলটি ইজারা পান। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারাকে কেন্দ্র করে ২৫ সেপ্টেম্বর সংঘর্ষে জড়ায়।

"সংসদ সদস্যের সিদ্ধান্তের পর আমি বিলে যাচ্ছি, তবে এখনো টাকা পাইনি। গত বুধবার সংসদ সদস্যের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির মাধ্যমে সাঈদ আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বিলের অংশীদার হতে চান না। সমঝোতার পর দুই নেতার মধ্যে দেখাসাক্ষাৎ বা কথা হয়নি।"

বিরোধে দলের ক্ষতি হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে শাহিন বলেন, কমবেশি তো হচ্ছেই। সংসদ সদস্যের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হলেও, দুই নেতার মধ্যে তৎপরতা বন্ধ থাকায় দলীয় কার্যক্রম স্থবির হচ্ছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অষ্টগ্রাম উপজেলা, কিশোরগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ সাঈদ আহমেদ (বিএনপি সভাপতি), এস এম শাহিন (সাংগঠনিক সম্পাদক), গিয়াস উদ্দিন আশরাফী (জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি), ফজলুর রহমান (সংসদ সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ জন আহত (২৫ সেপ্টেম্বর), ৫০ লাখ টাকা (ইজারা মূল্য), ৩০ সেপ্টেম্বর (সমঝোতা তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖