📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি জগন্নাথ হল পরিদর্শনে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদকে তুলে ধরেন এবং সরকারের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সহাবস্থানমূলক ধারণা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এমন একটি বাগান যেখানে বিভিন্ন রঙের ও জাতের ফুল একসঙ্গে ফোটে এবং প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্থান সংরক্ষিত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রিজভী বলেছেন, প্রতিটি নাগরিক নিজস্ব ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন — তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারেক রহমান সরকার এই দায়িত্ব পালন করছে
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির কথা বলে
- 📌 দুর্গাপূজার মূল মর্মবাণী হলো সাম্প্রদায়িক অসত্য ও অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা
- 📌 বিএনপি সরকারের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপূজার ছুটি বৃদ্ধি, পূজামণ্ডপে বরাদ্দ বাড়ানো এবং পুরোহিত ও সেবায়েতদের সম্মানী দেওয়া
- 📌 তিনি বলেছেন, শত শত বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ একই ভাষা ও লোকজ সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ এবং দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বিনষ্ট করতে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না
📰 বিস্তারিত
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সহাবস্থানমূলক ধারণা হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রতিটি নাগরিক নিজস্ব ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন — তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারেক রহমান সরকার এই দায়িত্ব পালন করছে।
রিজভী উল্লেখ করেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমানের প্রদর্শিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ সব সম্প্রদায়ের সহাবস্থান ও সম্প্রীতির কথা বলে। তিনি বলেন, উৎসব কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় বা সামাজিক সীমানায় আবদ্ধ নয়; এর সর্বজনীন আহ্বান সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ নিয়ে একসঙ্গে বসবাসের অনুপ্রেরণা জোগায়।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ধর্মীয় বিশ্বাস যার যার ব্যক্তিগত বিষয় হলেও রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। তিনি বিএনপি সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুর্গাপূজার ছুটি বৃদ্ধি, পূজামণ্ডপে বরাদ্দ বাড়ানো এবং পুরোহিত ও সেবায়েতদের সম্মানী দেওয়ার বিষয়টি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রিজভী বলেন, শত শত বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ একই ভাষা ও লোকজ সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে মিলেমিশে বসবাস করছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য বিনষ্ট করতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র হতে পারে। তবে ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ তা কখনো সফল হতে দেবে না।
"সমাজে অসত্য ও অশুভ শক্তির বিনাশ করে সত্য, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠাই দুর্গাপূজার মূল মর্মবাণী। প্রত্যেকে যাতে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!