📌 বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদে শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক শৈলীর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের অসহিষ্ণুতা ও ভাষার অসামঞ্জস্য দেখে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুকরণের প্রস্তাব উঠেছে। সাংসদীয় গণতন্ত্রের মাতৃভূমি যুক্তরাজ্য থেকে শেখার সুযোগ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করা হচ্ছে
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে শিষ্টাচার, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক শৈলীর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের কথা বলার ভঙ্গি, অসহিষ্ণুতা ও ভাষার অসামঞ্জস্য দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে যে, এই দোলাচল কীভাবে দূর করা যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংসদকে শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক শৈলীর সাথে পরিচিত করানো সম্ভব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদে শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক শৈলীর অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সাথে তুলনা করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে
- 📌 ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ‘হাউজ অব কমন্স’-এ শিল্পসম্মত আচরণ, যুক্তিতর্ক ও সহনশীলতার অনুকরণের প্রস্তাব উঠেছে
- 📌 সাংসদীয় গণতন্ত্রের মাতৃভূমি যুক্তরাজ্য থেকে শেখার সুযোগ গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করা হচ্ছে
- 📌 ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নারী ও পুরুষের মধ্যে সমান মর্যাদা ও সহিষ্ণুতা লক্ষ্য করা যায়, যেখানে সংসদ সদস্যদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা দেখা দিচ্ছে
- 📌 বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ এখনো সঠিক ট্র্যাকে পা রাখতে পারেনি, যা সাংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকরতা কমিয়ে দিচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের সাংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে ত্রয়োদশ সংসদ একটি অনন্য পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য নবীন হওয়ায় তাদের কথা বলার ভঙ্গি, ভাষা ও আচরণে অসহিষ্ণুতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অসহিষ্ণুতা ও শিষ্টাচারের অভাব সাংসদীয় গণতন্ত্রের কার্যকরতা কমিয়ে দিচ্ছে।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ‘হাউজ অব কমন্স’-এ শিল্পসম্মত আচরণ, যুক্তিতর্ক ও সহনশীলতার অনুকরণের প্রস্তাব উঠেছে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সমালোচনা শুনলে কেউ ক্ষিপ্ত না হয়ে হাসিমুখে উত্তর দেন। সেখানে নারী ও পুরুষের মধ্যে সমান মর্যাদা ও সহিষ্ণুতা লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশের সংসদে শক্তি প্রদর্শনের মতো আচরণ দেখা যায়।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের শক্তি ও সামর্থ্যের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে। সেখানে কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্যের গা গরম হয় না। প্রতিপক্ষকে গালমন্দ না করে তাদের সমালোচনা ধৈর্যের সাথে শোনা হয়। প্রতিউত্তরে মৃদু হাসি ও ‘সরি’ বলা হয়। এই শিল্পসম্মত আচরণ বাংলাদেশের সংসদে অনুকরণীয়।
"বিশ্বজুড়ে পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র" — এই কবিতার ভাষায়, শেখার কোনো বয়স নেই। সাংসদীয় গণতন্ত্রের মাতৃভূমি যুক্তরাজ্য থেকে শেখার সুযোগ গ্রহণ করা উচিত।"
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ এখনো সঠিক স্থানে পা রাখতে পারেনি বলে অনেকে মনে করেন। গত তিনটি সংসদে (দশম, একাদশ ও দ্বাদশ) রাষ্ট্রের কষ্টার্জিত অর্থ অর্থহীনভাবে ব্যয় করা হয়েছিল। বিশেষ করে, সংসদ নেতা শেখ হাসিনার প্রশংসা ও স্তুতিতে একশত কোটি টাকা খরচ হয়েছিল। এই তথ্য একটি জাতীয় দৈনিকের পরিবেশিত তথ্য থেকে পাওয়া গেছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ, যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ পার্লামেন্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ কোটি টাকা (সংসদ নেতার প্রশংসায় ব্যয়িত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!