📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকটে ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে হবে: রিজভী

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: রুহুল কবীর রিজভী রুহুল কবীর রিজভী
বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকটে ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে হবে: রিজভী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইতিহাসে ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের সময় একশ্রেণির বুদ্ধিজীবীরা তোষামোদি করেছে। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির উপর পরিকল্পিতভাবে নতুন শব্দ চাপানো হচ্ছে, যা সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের অংশ। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্রিত হওয়া দেশের ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে

বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকটকালে ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সত্য কথা বলতে হবে এবং ঐতিহ্যবাহী বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা অপরিহার্য — এই মর্মে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ শনিবার সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি সংকটকালে একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিবাদের তোষামোদি করেছে, যা বাংলাদেশেও দেখা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসনের সময় বুদ্ধিজীবীরা নিখোঁজ, গুম বা ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি, কিন্তু দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা মাটির মানুষের পাশে থাকেন এবং সত্য কথা বলেন।
  • 📌 তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ চাপানো হচ্ছে, যা সাম্রাজ্যবাদী শক্তির চক্রান্তের অংশ।
  • 📌 রিজভী বলেন, ১৯শতকের ‘বেঙ্গল রেনেসাঁ’ মূলত হিন্দু পুনরুত্থানবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে মুসলিম কৃষক সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের বিষয়টি উপেক্ষিত থেকে যায়।
  • 📌 তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৪৭ ও ১৯৭১-এর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছে।
  • 📌 সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্রিত হওয়া জাতীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে এবং দেশের স্বাতন্ত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার হলে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট: স্বরূপ সন্ধান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি সংকটকালে একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিবাদের তোষামোদি করেছে। তিনি বলেন, ‘অতীতে হিটলারের পেছনে যেমন অনেক নামজাদা বুদ্ধিজীবী লাইন ধরেছিলেন, আমাদের দেশেও ফ্যাসিবাদের সময়ে তা দেখা গেছে। তাঁরা নিখোঁজ, গুম বা ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি। অথচ দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা চিরকাল মাটির মানুষের পাশে থাকেন এবং সত্য কথা বলেন।’

রিজভী বলেন, বাংলাদেশে সূক্ষ্ম ও পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানো হচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির এই চক্রান্তের মাধ্যমে ভাষার মূল রূপ বদলে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে চর্চিত ও ব্যবহৃত শব্দগুলোকে বাদ দিয়ে নতুন নতুন রূপ চাপিয়ে দেওয়াটা সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতারই অংশ। তিনি বলেন, ‘এ জাতির সংগ্রামের ইতিহাস আছে, ভাষার জন্য রক্ত দেওয়ার ইতিহাস আছে। ফলে যেকোনো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিহত করার এক অদৃশ্য অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা এই জনগোষ্ঠীর রক্তে রয়েছে।’

রিজভী ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয়তাবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, উনিশ শতকের তথাকথিত ‘বেঙ্গল রেনেসাঁ’ সামগ্রিক অর্থে কোনো পূর্ণাঙ্গ রেনেসাঁ ছিল না। এটি মূলত হিন্দু পুনরুত্থানবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে তৎকালীন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম কৃষক সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের বিষয়টি সম্পূর্ণ উপেক্ষিত থেকে যায়। তিনি বলেন, সেই ঐতিহাসিক ঘটনার প্রবাহ এবং ১৯৪৭ ও ১৯৭১-এর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক আত্মপরিচয় বা ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ গড়ে উঠেছে।

রিজভী বলেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্র হয়ে দেশীয় সংস্কৃতি, জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা করা ইতিবাচক উদ্যোগ। তিনি মনে করেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়বে এবং দেশের স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে।

"দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা চিরকাল মাটির মানুষের পাশে থাকেন এবং সত্য কথা বলেন। এ জাতির সংগ্রামের ইতিহাস আছে, ভাষার জন্য রক্ত দেওয়ার ইতিহাস আছে। ফলে যেকোনো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিহত করার এক অদৃশ্য অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা এই জনগোষ্ঠীর রক্তে রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শিল্পকলা একাডেমি, রাজধানী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুহুল কবির রিজভী (বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৪৭, ১৯৭১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖