📌 ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে বাংলাবান্ধা থেকে শুরু হয়েছে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’। শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই-শাপলা-পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার তিনটি দাবিতে পদযাত্রা শুরু হয়েছে। ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল ২১ কিলোমিটার হেঁটে তেঁতুলিয়ায় পৌঁছবে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে বাংলাবান্ধা থেকে শুরু হয়েছে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি। শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, শাপলা ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার তিনটি মূল দাবিতে পদযাত্রা শুরু হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্ট থেকে কর্মসূচি শুরু হয় এবং ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পদযাত্রায় অংশ নিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৩ দাবিতে পদযাত্রা**: শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও জুলাই-শাপলা-পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে শুরু হয়েছে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’।
- 📌 **৩০ সদস্য পদযাত্রায়**: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবেরের নেতৃত্বে ৩০ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে।
- 📌 **২১ কিলোমিটার হেঁটে তেঁতুলিয়া**: কর্মসূচির প্রথম দিনে বাংলাবান্ধা থেকে হেঁটে ২১ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তেঁতুলিয়ায় পৌঁছবে কর্মসূচি।
- 📌 **ডিসেম্বরে ঢাকায় সমাবেশ**: কর্মসূচি ডিসেম্বরের মধ্যে টেকনাফ থেকে শুরু করে ঢাকার শাহবাগে ১৮ ডিসেম্বর মহাসমাবেশের পরিকল্পনা রয়েছে।
- 📌 **ভারতে থাকা সন্দেহভাজনদের ফিরিয়ে আনার দাবি**: ডিসেম্বরের মধ্যে ভারত থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাতের পর পদযাত্রা শুরু হয়। পথে কর্মসূচির নেতা-কর্মীরা সাধারণ মানুষের মধ্যে দাবিসংবলিত লিফলেট বিতরণ করছেন। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি। তিনি ভারতের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার সঙ্গে ভারতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
জাবের বলেন, ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান। তিনি শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডকে সাধারণ হত্যাকাণ্ড হিসেবে দেখার পরিবর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতারা ঘোষণা করেছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তারা সরকারকে সহযোগিতা করতে চান, তবে দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি হলে জনগণের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মসূচির মাধ্যমে জনসমর্থন গড়ে তোলার পাশাপাশি সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
"শহীদ ওসমান হাদি হত্যার প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো সুস্পষ্ট বার্তা পাওয়া যায়নি। ডিসেম্বরের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িতদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানাই।" — **আবদুল্লাহ আল জাবের**, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাবান্ধা (পদযাত্রা শুরু), তেঁতুলিয়া (প্রথম দিনের লক্ষ্য), টেকনাফ (অন্তিম লক্ষ্য), ঢাকার শাহবাগ (১৮ ডিসেম্বর সমাবেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল জাবের (ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক), শহীদ ওসমান হাদি (হত্যাকাণ্ডের শিকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (প্রতিনিধিদল সদস্য), ২১ (কিলোমিটার পথ), ১৮ (ডিসেম্বর সমাবেশ), ১০ (মাস পেরিয়ে গেছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!