📌 জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক জোট নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের বিরুদ্ধে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মুসল্লিরা বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, খতিবের অপসারণের পিছনে জামায়াতের হাত রয়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে খতিবের 'গোমরাহি' বলে সমালোচিত বক্তব্য এবং জামায়াতের লোগোতে ব্যবহৃত 'আকিমুদ-দীন' শব্দের ব্যাখ্যা
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের বক্তব্য নিয়ে রাজধানীতে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ করে একদল মুসল্লি। বিক্ষোভকারীরা জামায়াতে ইসলামী ও এর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদূদীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন এবং খতিবের অপসারণের অভিযোগ তুলেছেন। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে ওলামা দল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ অক্টোবর জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে মুসল্লিদের বিক্ষোভ: জামায়াতের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়
- 📌 বিক্ষোভকারীরা দাবি করেছেন, খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের অপসারণের পিছনে জামায়াতের হাত রয়েছে
- 📌 খতিবের বক্তব্যে জামায়াতের 'আকিমুদ-দ্বীন' শব্দের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, তিনি বলেছেন 'শব্দটি ইসলামের অপব্যাখ্যা'
- 📌 বিক্ষোভে 'জামায়াত-শিবিরের আস্তানা ভেঙে দাও' এবং 'মওদূদীর আস্তানা ভেঙে দাও' স্লোগান দেওয়া হয়
- 📌 বায়তুল মোকাররমের খতিবের বক্তব্য নিয়ে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছে জাতীয় মসজিদ
📰 বিস্তারিত
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের বক্তব্য নিয়ে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বিক্ষোভ করে একদল মুসল্লি। বিক্ষোভকারীরা জামায়াতে ইসলামী ও এর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদূদীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন এবং খতিবের অপসারণের অভিযোগ তুলেছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, খতিবকে অপসারণের উদ্যোগের সঙ্গে জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তি বলেছেন, বায়তুল মোকাররমের খতিব মুসল্লিদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি এই মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নামাজ পড়াবেন এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেছেন, ইসলাম কোনো রাজনৈতিক দলের একক সম্পত্তি নয়; এটি সব মুসলমানের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়।
বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আব্দুল মালেককে কওমি আলেমদের জামায়াতের জোটে যুক্ত হওয়ার বিষয়টিকে ‘গোমরাহি’ বা ‘পথভ্রষ্টতা’ হিসেবে বর্ণনা করতে শোনা যায়। তিনি জামায়াতের লোগোতে ব্যবহৃত ‘আকিমুদ-দ্বীন’ শব্দের প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, শব্দটির মাধ্যমে ইসলামের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, ‘নাউজুবিল্লাহ’ বলতে শোনা যায়।
বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারীরা ‘জামায়াত-শিবিরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এবং ‘মওদূদীর আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগান দিয়েছেন। বায়তুল মোকাররমের খতিবের বক্তব্যের পর তাঁর সমালোচনাকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিতর্কের ধারাবাহিকতা হিসেবে এই বিক্ষোভকে দেখা হচ্ছে। তবে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
"বায়তুল মোকাররমের খতিব মুসল্লিদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি এই মসজিদে খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নামাজ পড়াবেন এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। ইসলাম কোনো রাজনৈতিক দলের একক সম্পত্তি নয়; এটি সব মুসলমানের ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুফতি আব্দুল মালেক, জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আবুল আ’লা মওদূদী, বিক্ষোভকারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!