📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করায় সারজিস আলমকে বহিষ্কার করা হয় এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, ১৯ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এই দুই ব্যক্তি শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে বৈঠকে অংশ নেয়
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান আজ বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করায় সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই ঘটনা ঘটে ১৯ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়, যখন সবচেয়ে বেশি শহীদ হন। রাশেদ খান দাবি করেছেন, তৎকালীন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই দুই ব্যক্তিকে বহিষ্কার এবং শোকজ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করায় সারজিস আলমকে বহিষ্কার করা হয় এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয় — রাশেদ খানের দাবি
- 📌 ১৯ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে বৈঠকে অংশ নেয় — রাশেদ খানের অভিযোগ
- 📌 হাসনাত আব্দুল্লাহ হাসিব আল ইসলামকে কল করে মেস থেকে নিয়ে যান আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করতে — রাশেদ খানের তথ্য
- 📌 বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আব্দুল কাদেরের ৯ দফাকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন সারজিস আলম ও হাসনাত — রাশেদ খানের অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘নেত্র নিউজ’-এর একটি সংবাদ শেয়ার করে তিনি দাবি করেছেন যে, জমিদারের নাতি সারজিস আলমকে নাহিদ ইসলাম বহিষ্কার করেন এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি বলেছেন, ১৯ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় এই দুই ব্যক্তি শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আব্দুল কাদেরের ৯ দফাকে বানচাল করার জন্য ৮ দফা কর্মসূচি প্রদান করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, ‘লীগ-চাটা হাসনাত-সারজিস আজকে জামায়াতি জাতির আব্বা হয়ে গেছে। আর ইতিহাস থেকে হারিয়ে গেছে আব্দুল কাদেররা।’
রাশেদ খানের তথ্য অনুযায়ী, হাসনাত আব্দুল্লাহ সেদিন হাসিব আল ইসলামকে কল করে মেস থেকে নিয়ে যান আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করতে। আরো অনেককে হাসনাত-সারজিস নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শহীদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করে বাকিরা বৈঠকে যাননি। তিনি বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে অন্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিসংক্রান্ত অভিযোগ থাকলেও অন্তত গণঅভ্যুত্থানের সময় তাদের সঠিক ভূমিকা ছিল না।
"জমিদারের নাতি সারজিস আলমকে নাহিদ ইসলাম বহিষ্কার করেন আর হাসনাত আব্দুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দেন। ১৯ জুলাই, যেদিন সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়, সেদিন এরা শহীদের রক্ত মারিয়ে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (রাশেদ খানের ফেসবুক পেজ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশেদ খান, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাহিদ ইসলাম, আব্দুল কাদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ অক্টোবর (২০২৬), ১৯ জুলাই (গণঅভ্যুত্থান), ৯ দফা, ৮ দফা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!