📌 ৭ নভেম্বর ১৯৭৫-এ সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণী। তিনি বলেন, ১৯৭৫ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান দুটিই ছিল দেশের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই। ৭ নভেম্বর দিবস উপলক্ষে তিনি জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ঘোষণা করেন
৭ নভেম্বর ১৯৭৫-এ সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাণী। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সিপাহি-জনতার সংগ্রাম দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উদযাপনের সময় জাতীয় কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল এবং দেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন ছিল এই দিনটি।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল এবং জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করা হয়েছিল।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের লড়াই, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই।
- 📌 তিনি ৭ নভেম্বর দিবসের অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, ভবিষ্যতে কেউ দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, সেটি এবারের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্মাণে ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের চেতনা প্রেরণা ও পাথেয় হয়ে উঠবে।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল এবং দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস ও সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।’
প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উদযাপনের সময় জাতীয়ভাবে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।’
তিনি ইতিহাসের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। তাই সারাবেলা ইতিহাসচর্চায় মশগুল থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল। তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।
"৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক দিনটি ছিল বাংলাদেশের শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ নভেম্বর ১৯৭৫
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!