📌 বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেছেন, ১১ দলের ঐক্য আরও বাড়বে না কমবে এবং তারা কোনো চক্রান্তের ফাঁদে পা দেবেন না। তারা ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত লংমার্চের আহ্বান জানিয়েছেন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ১১ দলের ঐক্য আরও মজবুত হবে এবং তারা কোনো ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দেবেন না — এটাই বলেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। তিনি মঙ্গলবার রাজধানীর মিন্টো রোডে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই কথা জানান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ দলের ঐক্য বাড়বে না কমবে — মামুনুল হক বলেছেন, এই ঐক্য আগামী দিনের রাষ্ট্রের রূপরেখা নির্ধারণের লড়াইয়ে অব্যাহত থাকবে।
- 📌 ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত লংমার্চ — ১৮ কোটি মানুষের প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
- 📌 শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা — মামুনুল হক বলেছেন, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না বলে আশা করা হলেও তা প্রতিহত করা হবে।
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ — নির্বাচন কমিশনের সচিবপর্যায়ে দলীয় ব্যক্তিদের নিয়োগের মাধ্যমে সরকার নিরপেক্ষতার প্রশ্নে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
- 📌 পুলিশের মহাপরিদর্শকের বক্তব্য নিয়ে আতঙ্ক — মামুনুল হক বলেছেন, বিচারবহির্ভূত ক্রসফায়ারের বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি ‘স্তম্ভিত’।
📰 বিস্তারিত
বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের রাষ্ট্র মেরামত করার এবং হাজার হাজার শহীদের রক্তের দায় নিয়ে মাঠে নেমেছি। কাজেই আমরা কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো চক্রান্তের ফাঁদে পা দেব না।’ তিনি ১১ দলীয় ঐক্যকে শুধু বিরোধী দলের ঐক্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আগামী দিনের রাষ্ট্রের রূপরেখা নির্ধারণের লড়াইয়ে তারা একসঙ্গে রয়েছেন। দেশের গতিপথ নির্ধারণ, আধিপত্যবাদ মোকাবিলা এবং ফ্যাসিবাদের পথ রুদ্ধ করার এই লড়াইয়ে তাদের ঐক্য অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, ‘ধীরে ধীরে এই ঐক্যের পরিসর আরও বাড়বে, কমবে না।’
মামুনুল হক বলেন, আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। তিনি লংমার্চে দেশের জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের প্রাণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যেই এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। অতীতের দুটি লংমার্চের মতো এবারও ‘ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা ও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের’ মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সফল হবে বলে তারা আশা করছেন।’
লংমার্চ কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে মামুনুল হক বলেন, ‘কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষ থেকে বাধা সৃষ্টি বা দুরভিসন্ধিমূলক তৎপরতা চালানো হবে না বলে আমরা আশা করছি। তবে এ ধরনের কোনো অপতৎপরতা দেখা গেলে তা প্রতিহত করেই কর্মসূচি সফল করা হবে।’
গোপালগঞ্জে লংমার্চের পথে থাকায় সেখানে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মামুনুল হক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক থাকলে এ ধরনের আশঙ্কা নেই। গোপালগঞ্জে ইসলামপন্থী ও দেশপ্রেমিক বিপুল জনগোষ্ঠী রয়েছেন। লংমার্চের সময় তারা ব্যাপকভাবে রাজপথে থাকবেন বলে আশা করছেন। কোনো দুরভিসন্ধিমূলক অপতৎপরতা বা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের চেষ্টা হলে তা রাজপথেই মোকাবিলা করা হবে।’
"আমরা বাংলাদেশের রাষ্ট্র মেরামত করার এবং হাজার হাজার শহীদের রক্তের যে দায়, সেই দায় নিয়ে মাঠে নেমেছি। কাজেই আমরা কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো চক্রান্তের ফাঁদে পা দেব না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মিন্টো রোড), খুলনা, কুষ্টিয়া, গোপালগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুনুল হক (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির), শফিকুর রহমান (জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল, ৩১ অক্টোবর, ১৮ কোটি মানুষ, ১০ টা (বৈঠকের সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!