📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ১১ দলীয় লংমার্চ শুধু কর্মসূচি নয়, বরং মজলুম মানুষের অধিকার আদায় ও আধিপত্যবাদ বিরোধী ঐতিহাসিক আন্দোলনের প্রতীক। ৩১ অক্টোবরের লংমার্চকে ইতিহাসের সেরা রূপে গড়ে তুলতে খুলনা অঞ্চলের নেতারা আহ্বান জানিয়েছেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার ১১ দলীয় লংমার্চকে মজলুম মানবতার পক্ষে ঐতিহাসিক হুংকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের প্রস্তুতি সভায় তিনি এই কথাগুলো বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ দলীয় লংমার্চকে মজলুম মানবতার পক্ষে এবং আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করেছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার
- 📌 ৩১ অক্টোবরের লংমার্চে খুলনার কাটাখালী থেকে শিববাড়ি মোড় ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত সকল সড়ক জনস্রোতে পরিণত করতে হবে — মিয়া গোলাম পরওয়ারের আহ্বান
- 📌 খুলনাঞ্চলের মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মুক্তির প্রশ্নে আপসহীন — এই লংমার্চের মাধ্যমে বার্তা পৌঁছাতে হবে দেশের প্রতিটি প্রান্তে
- 📌 বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান — খুলনার মানুষ প্রতিটি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে, মিয়া গোলাম পরওয়ারের কথা
- 📌 ৮ অক্টোবর খুলনা অঞ্চল জামায়াতের উদ্যোগে সোনাডাঙ্গাস্থ আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন মিয়া গোলাম পরওয়ার
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, ‘১১ দলের লংমার্চ শুধু একটি কর্মসূচি নয়; এটি মজলুম মানবতার পক্ষে এবং আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐতিহাসিক হুংকার। আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা এবং ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) খুলনা অঞ্চল জামায়াতের উদ্যোগে সোনাডাঙ্গাস্থ আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় তিনি খুলনাঞ্চলের মা-বোন, ছাত্র-জনতা ও শ্রমিক ভাইদেরকে এই লংমার্চে দলে দলে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চকে সর্বাত্মক ও ইতিহাসের সেরা রূপ দিতে হবে। কাটাখালী থেকে শুরু করে শিববাড়ি মোড় এবং ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত খুলনার প্রতিটি সড়ক জনস্রোতে পরিণত করতে হবে।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরো বলেন, ‘খুলনার মাটি বারবার অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে এ অঞ্চলের মানুষ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। সেই গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ধরে রেখে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।’
সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো: ইজ্জত উল্লাহ, টিম সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সাবেক এমপি, মাওলানা মো: মশিউর রহমান খান সাবেক এমপি, খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, খুলনা মহানগরী নায়েবে আমির অধ্যাপক নজিবুর রহমান, বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা গোলাম সরোয়ার, মহানগরী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা সেক্রেটারি শেখ মুহাম্মদ ইউনুস, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও আজিজুল ইসলাম ফারাজী, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস প্রমুখ।
"আগামী ৩১ অক্টোবর লংমার্চ উপলক্ষে বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়, খুলনার শিববাড়ি মোড় ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বর জনস্রোতে রূপ নেবে। খুলনাঞ্চলের মানুষ নিজেদের অধিকার, ন্যায়বিচার ও মুক্তির প্রশ্নে আপসহীন। এই শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল কর্মসূচি যেন দেশের প্রতিটি প্রান্তে বার্তা পৌঁছে দেয় যে, এ দেশের জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে প্রস্তুত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা, সোনাডাঙ্গা (আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তন), কাটাখালী, শিববাড়ি মোড়, ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল), মো: ইজ্জত উল্লাহ, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা মো: মশিউর রহমান খান, খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল, ৮ অক্টোবর, ৩১ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!