📅 ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাংসদীয় কমিটির তদন্ত ক্ষমতা: সাক্ষীকে বাধ্য করতে পারেনা, আইনি ঘাটতি দীর্ঘদিন চলে আসছে

সাংসদীয় কমিটির তদন্ত ক্ষমতা: সাক্ষীকে বাধ্য করতে পারেনা, আইনি ঘাটতি দীর্ঘদিন চলে আসছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাংসদীয় কমিটি সাক্ষীকে তলব করতে পারে, কিন্তু হাজির করতে বা নথি দিতে বাধ্য করতে পারেনা। ২০১১ সালে প্রস্তাবিত আইন বাস্তবায়িত হয়নি, ফলে কমিটির তদন্ত ক্ষমতা সীমিত। অতীতেও তলব উপেক্ষা করা হয়েছে, যেমন সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার ও খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ক্ষেত্রে

সাংসদীয় কমিটির তদন্ত ক্ষমতা সীমিত থাকায় দেশের জবাবদিহি ব্যবস্থায় ঘাটতি সৃষ্টি হচ্ছে। সাংসদীয় কমিটি সাক্ষীকে তলব করতে পারে, কিন্তু আইনি ভিত্তি না থাকায় কেউ তলবে সাড়া না দিলে তাঁকে বাধ্য করার পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতা কমিটির নেই। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরেও এই আইনি খালি জায়গাটি পূরণ হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাংসদীয় কমিটি সাক্ষীকে তলব করতে পারে, কিন্তু হাজির করতে বা নথি দিতে বাধ্য করতে পারেনা — আইনি ক্ষমতা নেই
  • 📌 ২০১১ সালে প্রস্তাবিত ‘জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির (সাক্ষ্য গ্রহণ ও দলিলপত্র দাখিল) আইন’ খসড়া বাস্তবায়িত হয়নি
  • 📌 ২০০৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী ও কর্মকর্তারা কমিটির তলব উপেক্ষা করেন
  • 📌 সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার, ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী ও খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনও কমিটির তলব উপেক্ষা করেন
  • 📌 চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, সাক্ষীকে বাধ্য করার ক্ষমতা না থাকায় কমিটির কার্যকর ক্ষমতা খর্ব হচ্ছে

📰 বিস্তারিত

সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদে সাংসদীয় কমিটির গঠন ও দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হলেও, সাক্ষীকে হাজির করতে বা নথি দিতে বাধ্য করার পূর্ণাঙ্গ আইনি ক্ষমতা কমিটির নেই। সাংসদীয় কমিটি খসড়া আইন পরীক্ষা, আইনের বাস্তবায়ন পর্যালোচনা এবং মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তদন্ত করতে পারে। তবে, কোনো সাক্ষী কমিটির তলব উপেক্ষা করলে কী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, সে বিষয়ে কোনো পূর্ণাঙ্গ বিধান নেই।

২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির (সাক্ষ্য গ্রহণ ও দলিলপত্র দাখিল) আইন’ নামে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছিল। খসড়ায় সাংসদীয় কমিটিকে অনুসন্ধান ও তদন্তের কাজে দেওয়ানি আদালতের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব ছিল। কোনো সাক্ষী কমিটিকে অসহযোগিতা করলে আর্থিক জরিমানা এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করার বিধানও রাখা হয়েছিল। তবে, শেষ পর্যন্ত এই খসড়া আইনে পরিণত হয়নি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, নবম জাতীয় সংসদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু মন্ত্রিসভায় খসড়াটি নাকচ করা হয়। তিনি আরও বলেন, এ আইন অবশ্যই হওয়া উচিত। সাংসদীয় কমিটি যদি কোনো সাক্ষীকে হাজির করতে না পারে, তাহলে কমিটির কার্যকর ক্ষমতা থাকে না।

"সাংসদীয় কমিটি যদি কোনো সাক্ষীকে হাজির করতে না পারে, তাহলে কমিটির কার্যকর ক্ষমতা থাকে না।"

২০০৯ সালে সাংসদীয় একটি তদন্ত কমিটি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক চেয়ারম্যান হাসান মশহুদ চৌধুরী, দুই কমিশনার ও এক সাবেক সচিবকে তলব করেছিল। কিন্তু তাঁরা কেউই কমিটির বৈঠকে হাজির হননি। দুদকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দুদককে তলব করার ক্ষমতা সাংসদীয় কমিটির নেই। একই বছর সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার, ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকী ও খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে তলব করা হয়েছিল। তাঁরাও কমিটির সামনে হাজির হননি। খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন কমিটির বৈধতা ও এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিজাম উদ্দিন আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, আখতার হামিদ সিদ্দিকী, খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, হাসান মশহুদ চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৬ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖