📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উনেস্কো ও উইন্ডমিলের যৌথ উদ্যোগে রিকশা চিত্রকলা বিশ্বপ্রতিভা হিসেবে উজ্জ্বল হবে

উনেস্কো ও উইন্ডমিলের যৌথ উদ্যোগে রিকশা চিত্রকলা বিশ্বপ্রতিভা হিসেবে উজ্জ্বল হবে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 উনেস্কো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রিকশা চিত্রকলাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় শিল্পীদের প্রশিক্ষণ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে যৌথ কাজ শুরু হয়েছে

বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে বাংলাদেশের রিকশা চিত্রকলাকে আরও মর্যাদাপূর্ণভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার উদ্যোগ নেয় ইউনেস্কো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড। বুধবার ঢাকার ইউনেস্কো কার্যালয়ে এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইজ এবং উইন্ডমিলের প্রধান কৌশলগত পরিকল্পনাবিদ সুমন পাটওয়ারী স্বাক্ষর করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **উনেস্কো ও উইন্ডমিলের যৌথ উদ্যোগে** রিকশা চিত্রকলাকে বিশ্বপ্রতিভা হিসেবে উজ্জ্বল করার লক্ষ্যে ‘রিকশা পেইন্টিং: এক্সপ্যান্ডিং দ্য ক্যানভাস’ প্রকল্প শুরু হয়েছে
  • 📌 **২০২৩ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক রিকশা চিত্রকলাকে মানবতার অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য** হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল
  • 📌 **শিল্পীদের জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়নে** প্রশিক্ষণ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি ও ব্র্যান্ড সংযোগের মাধ্যমে প্রকল্পের আওতা
  • 📌 **উনেস্কোর সংস্কৃতিপ্রধান কিযী তাহনিন ও উইন্ডমিলের মতিউর রহমান রাব্বি** সহ আরও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন

📰 বিস্তারিত

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুজান ভাইজ বলেন, ‘রিকশাচিত্র একটি জীবন্ত ঐতিহ্য যা শিল্পীদের জ্ঞান ও সৃজনশীলতায় টিকে আছে। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা শিল্পীদের জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করব এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেব।’ অন্যদিকে উইন্ডমিলের সুমন পাটওয়ারী জানান, ‘আমরা বাংলাদেশের রিকশাচিত্রের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ ও শিল্পীদের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করব। সৃজনশীল যোগাযোগ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে এই শিল্পধারাকে আরও বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরাই আমাদের লক্ষ্য।’

প্রকল্পের আওতায় ‘রিকশা পেইন্টিং: এক্সপ্যান্ডিং দ্য ক্যানভাস’ নামে একটি সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্পীদের প্রশিক্ষণ, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বৃদ্ধি, বড় ব্র্যান্ডগুলোর সাথে সংযোগ স্থাপন এবং প্রদর্শনী ও প্রচারণার মাধ্যমে এই ঐতিহ্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা। ইউনেস্কো ও উইন্ডমিলের মতে, এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে জীবন্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষায় ইউনেস্কোর কাজের সঙ্গে যুক্ত হবে উইন্ডমিলের সৃজনশীল যোগাযোগ ও ডিজিটাল প্রচারের অভিজ্ঞতা।

"রিকশাচিত্র একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যা শিল্পীদের জ্ঞান ও সৃজনশীলতায় টিকে আছে। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা শিল্পীদের জীবিকা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করব এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেব।"

উনেস্কোর ঢাকার সংস্কৃতিপ্রধান কিযী তাহনিন, প্রোগ্রাম সহকারী বিপাশা ত্রিপুরা এবং উইন্ডমিলের অপারেশন ও ক্লায়েন্ট সার্ভিস ম্যানেজার মতিউর রহমান রাব্বি সহ আরও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, ইউনেস্কো কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুজান ভাইজ (উনেস্কো), সুমন পাটওয়ারী (উইন্ডমিল), কিযী তাহনিন (উনেস্কো সংস্কৃতিপ্রধান)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩ (রিকশা চিত্রকলার ইউনেস্কো স্বীকৃতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖