📌 ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠে মহা অষ্টমীতে অনুষ্ঠিত কুমারীপূজায় ছয় বছর বয়সী ইজ্জা চক্রবর্তীকে দেবী দুর্গার প্রতিরূপ হিসেবে পূজা করা হয়। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় সকাল ৯টায় এবং শেষ হয় ১০টায়। ইজ্জার হাসিখুশি উপস্থিতি ভক্তদের মুগ্ধ করে
ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে মহা অষ্টমীতে আজ সোমবার অনুষ্ঠিত কুমারীপূজায় ছয় বছর বয়সী ইজ্জা চক্রবর্তীকে দেবী দুর্গার প্রতিরূপ হিসেবে পূজা করা হয়। এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি সকাল ৯টায় শুরু হয় এবং সকাল ১০টায় শেষ হয়। ইজ্জাকে পূজামঞ্চে অধিষ্ঠিত করা হয় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে, যেখানে তিনি দেবী দুর্গার প্রতিনিধিত্ব করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠে মহা অষ্টমীতে অনুষ্ঠিত কুমারীপূজায় ছয় বছর বয়সী ইজ্জা চক্রবর্তীকে দেবী দুর্গার প্রতিরূপ হিসেবে পূজা করা হয়।
- 📌 পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় সকাল ৯টায় এবং শেষ হয় সকাল ১০টায়।
- 📌 ইজ্জাকে পূজামঞ্চে অধিষ্ঠিত করা হয় সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে।
- 📌 ইজ্জা আইডিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী এবং বয়স ছয় বছর।
- 📌 স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ বলেন, শুদ্ধাত্মা কুমারীর মধ্যে আধ্যাশক্তির সর্বাধিক প্রকাশ ঘটে।
- 📌 কুমারীপূজা দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ এবং ১৯০১ সালে কলকাতার বেলুড় মঠে স্বামী বিবেকানন্দ প্রথম এই পূজা করেছিলেন।
- 📌 পূজার সময় ইজ্জা দুটি পদ্মফুল নিয়ে খেলছিলেন এবং হাসছিলেন, যা ভক্তদের মুগ্ধ করে।
- 📌 কুমারীপূজা শেষে সন্ধিপূজা শুরু হয় এবং ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
সকাল সাড়ে ৯টায় মহা অষ্টমীর বিহিতপূজার মধ্য দিয়ে ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে কুমারীপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাক, কাঁসর ও ঘণ্টার ধ্বনি এবং ভক্তদের উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই পূজা। পূজামঞ্চের সামনে ভিড় জমে যায় এবং অনেকেই ইজ্জার ছবি তোলেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। ইজ্জা পূজামঞ্চে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর পুরোহিতের মন্ত্রপাঠের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
পূজার সময় ইজ্জা দুটি পদ্মফুল নিয়ে খেলছিলেন এবং হাসছিলেন। ছোট্ট ইজ্জার এমন হাসিখুশি উপস্থিতি ভক্তদের মুগ্ধ করে। পূজা শেষে ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ কুমারী দেবীর পরিচয় এবং এই পূজার তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইজ্জা চক্রবর্তী আইডিয়াল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং তাঁর বয়স ছয় বছর। শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, এই বয়সের কুমারীর পূজার নাম উমা।
স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ বলেন, শুদ্ধাত্মা কুমারীর মধ্যে আধ্যাশক্তির সর্বাধিক প্রকাশ ঘটে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯০১ সালে কলকাতার বেলুড় মঠে স্বামী বিবেকানন্দ নিজে কুমারীপূজা করেছিলেন। সেবার নয়জন কুমারীর পূজা হয়েছিল। স্বামী বিবেকানন্দ ব্রাহ্মণ কন্যার পাশাপাশি অব্রাহ্মণ এবং এমনকি অহিন্দু কন্যকেও পূজা করেছিলেন।
"কুমারীপূজা শুধু একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি মাতৃশক্তি, পবিত্রতা ও নারীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এক অনন্য প্রকাশ। এই পূজার মধ্য দিয়ে নারীকে সম্মান করা, তাঁর শক্তিকে স্বীকৃতি দেওয়া ও মানবতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আরও গভীর হয়।"
পূজা শেষে সন্ধিপূজা শুরু হয় এবং ভক্তদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানটি ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান এবং প্রতিবছরই মহা অষ্টমীতে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইজ্জা চক্রবর্তী, শ্রীমৎ স্বামী পূর্ণাত্মানন্দজী মহারাজ, স্বামী বিবেকানন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ বছর (ইজ্জার বয়স), ৯টা ৫০ মিনিট (পূজা শুরু), ১০টা (পূজা শেষ), ৯ জন (স্বামী বিবেকানন্দের সময় পূজিত কুমারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!