📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শামসুর রাহমানের সঙ্গে শহীদ কাদরীর কৈশোরের স্মৃতিচারণ: ‘আমাদের পকেটে কবিতা ছিল’

শামসুর রাহমানের সঙ্গে শহীদ কাদরীর কৈশোরের স্মৃতিচারণ: ‘আমাদের পকেটে কবিতা ছিল’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শহীদ কাদরী ২০০৬ সালের ২০ আগস্ট নিউইয়র্কে শামসুর রাহমানের মৃত্যুর স্মরণে একটি বন্ধুসভা আয়োজন করেন। সেখানে তিনি কবিবন্ধু শামসুর রাহমানের সঙ্গে কৈশোর থেকে শুরু হওয়া কবিতার সম্পর্ক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। ২০০৮ সালে প্রকাশিত এই স্মৃতিচারণায় তিনি বর্ণনা করেন কীভাবে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসার পর শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচিত হন এবং তাদের মধ্যে কবিতার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে

২০০৬ সালের ২০ আগস্ট শামসুর রাহমানের মৃত্যুর তিন দিন পর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত একটি বন্ধুসভায় শহীদ কাদরী কবিবন্ধু শামসুর রাহমানের স্মৃতিতে স্মৃতিচারণ করেন। সেই স্মৃতিচারণা ২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। শহীদ কাদরী কৈশোর থেকে শুরু হওয়া তাদের কবিতার সম্পর্ক এবং শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচয় লাভের গল্পটি আজ অনলাইনে পাঠকদের জন্য উপস্থাপিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শহীদ কাদরী ২০০৬ সালের ২০ আগস্ট শামসুর রাহমানের মৃত্যুর স্মরণে নিউইয়র্কে বন্ধুসভায় স্মৃতিচারণ করেন, যা ২০০৮ সালে প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়
  • 📌 শহীদ কাদরী বর্ণনা করেন কীভাবে কলকাতার এক বন্ধু খোকনের মাধ্যমে শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচিত হন এবং কবিতার আলোচনা শুরু করেন
  • 📌 কাদরী বলেন, ‘আমাদের পকেটে তখন কবিতা থাকত’ — শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পর থেকে কবিতা পড়া-লেখা তাদের জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়
  • 📌 শামসুর রাহমানের সঙ্গে প্রথম দেখা হয় সদরঘাটের বুক স্টলে, যেখানে কাদরী ‘জলকন্যার জন্যে’ কবিতাটি পড়ছিলেন
  • 📌 শামসুর রাহমান কাদরীর কবিতা পড়ে স্বীকৃতি দেন এবং বলেন, ‘আমি খোকনকে বলেছিলাম তোর কথা’

📰 বিস্তারিত

শহীদ কাদরী ২০০৬ সালের ২০ আগস্ট শামসুর রাহমানের মৃত্যুর স্মরণে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত বন্ধুসভায় স্মৃতিচারণ করেন। সেই স্মৃতিচারণা ২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে ‘আমাদের পকেটে তখন কবিতা থাকত’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। কাদরী বলেন, “আমি এখনো শামসুর রাহমানের মৃত্যু মেনে নিতে পারছি না। বছর দুয়েক আগে আমার সাথে তার শেষ কথা হয় টেলিফোনে। তিনি বলেছিলেন, ‘আই সিনসিয়ারলি উইশ ইওর স্পিডি রিকভারি’। তারপর আর কথা হয়নি।”

শহীদ কাদরী বর্ণনা করেন কীভাবে কলকাতার এক বন্ধু খোকনের মাধ্যমে শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি বলেন, “আমরা বায়ান্ন সালে ঢাকায় এসেছিলাম। আমাদের কলকাতার এক বন্ধু খোকন ছিলেন, যিনি আমাদের সঙ্গে কলকাতায় বন্ধুত্ব করেছিলেন। চুয়ান্ন সালে তিনি ঢাকায় আমাদের বাসায় এসে হাজির হন। তিনি আমাকে বলেন, ‘শহীদ তো কবিতা লেখার চেষ্টা করছে, জানিস নাকি?’ আমি বললাম, ‘না’। তিনি বলেন, ‘তোর কবিতা দেখা তো তোরা’। আমি বললাম, ‘আমি শামসুর রাহমানের নাম শুনিনি’। তিনি বলেন, ‘কী বলিস! শামসুর রাহমানের কবিতা প্রতি সপ্তাহে ‘দেশ’ পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে’।”

সদরঘাটের বুক স্টলে ‘জলকন্যার জন্যে’ কবিতাটি পড়ার সময় শহীদ কাদরী শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচিত হন। তিনি বলেন, “আমি স্টলে দাঁড়িয়ে আমার কবিতাটি পড়ছিলাম। পেছনে দাঁড়িয়ে একজন ভদ্রলোক আমাকে লক্ষ করছিলেন। আমি ঘাড় ফিরিয়ে দেখি, শামসুর রাহমান। তিনি বললেন, ‘আপনি কি শহীদ কাদরী?’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ, কী করে বুঝলেন?’ তিনি বললেন, ‘আপনার কথা আমাকে খোকন বলেছে’।”

"আমাদের পকেটে তখন কবিতা থাকত। আমি খুব অভিভূত হয়ে গেলাম শামসুর রাহমানের সঙ্গে পরিচিত হয়ে। তখন সদরঘাটে একটা রেস্টুরেন্ট ছিল, নাম ‘রিভার ভিউ’। সেখানে চা খেতে খেতে তিনি আমাকে বললেন, ‘আপনার কবিতা তো ‘দেশ’-এ পড়ছি’। তিনি তাঁর পকেট থেকে বের করে অনেকগুলো কবিতা পাঠ করে শোনালেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, সদরঘাট (ঢাকা), কলকাতা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহীদ কাদরী, শামসুর রাহমান, খোকন, আদনান সৈয়দ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ আগস্ট ২০০৬, ২৪ অক্টোবর ২০০৮

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖