📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভি এস নাইপলের ইসলামিক ভ্রমণকাহিনিতে মৌলবাদ ও ধর্মান্তরিত মুসলমানদের সমালোচনা: ‘ইডিওটিক’ থেকে ‘কনভারটেড পিপল’ পর্যন্ত কী বলেছেন?

ভি এস নাইপলের ইসলামিক ভ্রমণকাহিনিতে মৌলবাদ ও ধর্মান্তরিত মুসলমানদের সমালোচনা: ‘ইডিওটিক’ থেকে ‘কনভারটেড পিপল’ পর্যন্ত কী বলেছেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভি এস নাইপলের ‘বিয়ন্ড বিলিফ’ গ্রন্থে পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিষয়ে তার তত্ত্ব ও সমালোচনা তুলে ধরা হয়েছে। প্রাচ্যবিশারদ এডওয়ার্ড সাইদ ও তপন রায়চৌধুরী তাঁর যুক্তিকে ‘ইডিওটিক’ বলে সমালোচনা করেছেন। নাইপল ধর্মান্তরিত মুসলমানদেরকে আরবের ইতিহাসের সাথে যুক্ত করে ‘কনভারটেড পিপল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন

নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক ভি এস নাইপলের ‘বিয়ন্ড বিলিফ’ গ্রন্থে পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিষয়ে তার তত্ত্ব ও সমালোচিত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়েছে। গ্রন্থে তিনি ধর্মান্তরিত মুসলমানদেরকে ‘কনভারটেড পিপল’ হিসেবে চিহ্নিত করে আরবের ইতিহাসের সাথে তাদের যুক্তি দিয়েছেন, যা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত ‘বিয়ন্ড বিলিফ’ গ্রন্থে নাইপল পাকিস্তানকে ‘ক্রিমিনাল’ দেশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরও তার মন্তব্য অব্যাহত রাখে।
  • 📌 নাইপল ১৯৭৯ ও ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে গিয়ে মৌলবাদ ও ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
  • 📌 প্রাচ্যবিশারদ এডওয়ার্ড সাইদ নাইপলের গ্রন্থকে ‘ইডিওটিক’ বলে সমালোচনা করেছেন এবং তাঁর মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
  • 📌 তপন রায়চৌধুরী নাইপলের যুক্তিকে ‘রক্ষণশীল ইংরেজের দৃষ্টিভঙ্গি’ বলে সমালোচনা করেছেন এবং ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিষয়ে তার ভ্রান্ত সিদ্ধান্তের উল্লেখ করেছেন।
  • 📌 নাইপল ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিশ্ববীক্ষ্যা পরিবর্তিত হওয়ার কথা বলেছেন, যেখানে আরবের ভাষা ও ইতিহাস তাদের স্বদেশের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে।

📰 বিস্তারিত

নাইপল ১৯৭৯ সালে প্রথমবার পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণে গিয়ে ‘অ্যামং দ্য বিলিভার্স’ গ্রন্থে মৌলবাদের উত্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর ১৯৯৮ সালে তিনি ‘বিয়ন্ড বিলিফ’ গ্রন্থে এই চার দেশে ফিরে আসেন এবং সেখানে ধর্মান্তরিত মুসলমানদের বিষয়ে তার তত্ত্ব আরও স্পষ্ট করেছেন। গ্রন্থে তিনি ধর্মান্তরিত মুসলমানদেরকে ‘কনভারটেড পিপল’ বলে অভিহিত করেছেন, যার অর্থ তাদের ধর্মান্তরকরণের আগে তারা বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী ছিল। নাইপল দাবি করেছেন, ধর্মান্তরকরণের ফলে তাদের স্বজাতধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আনুগত্য পরিবর্তিত হয়েছে এবং আরবের ইতিহাস তাদের ইতিহাস হয়ে পড়েছে।

এই তত্ত্বের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাচ্যবিশারদ এডওয়ার্ড সাইদ। তিনি নাইপলের যুক্তিকে ‘হাস্যকর’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, শুধু আরবরাই ‘অথেনটিক’ মুসলমান, অন্যরা কৃত্রিম। সাইদ নাইপলের গ্রন্থকে ‘৪০০ পাতার ঢাউস বই’ বলে সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, নাইপল ‘নির্বোধ ও অপমানজনক’ তত্ত্ব প্রচার করেছেন। তিনি নাইপলকে ‘ইডিওটিক’ বলে খারিজ করেছেন এবং তাঁর মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বাঙালি ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক তপন রায়চৌধুরীও নাইপলের সমালোচনা করেছেন। তিনি নাইপলের যুক্তিকে ‘রক্ষণশীল ইংরেজের দৃষ্টিভঙ্গি’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, নাইপল ইসলামকে বিবেচনা করেছেন এমনভাবে যেন তিনি নিজেও একধরনের মৌলবাদী মনোভাবের আক্রান্ত। তিনি উল্লেখ করেছেন, নাইপলের কাছে ইসলামি বিপ্লব ‘ইন্টারচেঞ্জেবল রেভোল্যুশনস’ মানে সবই এক, একটার জায়গায় আরেকটি বসিয়ে দিলেই হলো। তবে নাইপল নিজেই তাঁর বইতে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উদাহরণ দিয়েছেন।

"শুধু আরবরাই ‘অথেনটিক’ মুসলমান; অন্যরা কৃত্রিম, এই হাস্যকর যুক্তি মেনে নেওয়ার অর্থ হলো এই কথা বলা যে শুধু রোমের স্থানীয় নাগরিকেরাই রোমান ক্যাথলিক ধর্মের অকৃত্রিম অনুসারী।"

তপন রায়চৌধুরী আরও বলেছেন, নাইপলের যুক্তি মানলে বলতে হবে শুধু প্যালেস্টাইন খ্রিষ্টানেরাই জন্মসূত্রে খ্রিষ্টান, আর সবাই নানা পৌত্তলিক ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, হিন্দুস্তান-পাকিস্তানজুড়ে হাজার পীরের দরগা ও ঐতিহাসিক মসজিদ কি পুণ্যক্ষেত্র নয়? নাইপলের যুক্তি অনুযায়ী, সব মুসলমানের পুণ্যক্ষেত্র আরবে, স্বদেশে নয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পাকিস্তান, ইরান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, নিউইয়র্ক
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভি এস নাইপল, এডওয়ার্ড সাইদ, তপন রায়চৌধুরী
  • 📖 গ্রন্থ: ‘বিয়ন্ড বিলিফ’, ‘অ্যামং দ্য বিলিভার্স’
  • 📅 প্রকাশিত তারিখ: ১৯৯৮ (বিয়ন্ড বিলিফ), ১৯৮১ (অ্যামং দ্য বিলিভার্স)
  • 📌 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ পাতা, ২০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖