📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে ক্ষমতা ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক: সামরিক শাসনের প্রভাব এখনও কতটা?

বাংলাদেশে ক্ষমতা ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক: সামরিক শাসনের প্রভাব এখনও কতটা?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে সামরিক শাসনামলে গণমাধ্যমের উপর নিয়ন্ত্রণের ধরন বিশ্লেষণ করেছেন গবেষক রিজওয়ান-উল-আলম। তাঁর গবেষণায় উঠে এসেছে দমন-পীড়নের চেয়ে সুযোগ-সুবিধার প্রলোভনেই বেশি নিয়ন্ত্রিত হতো সংবাদমাধ্যম।

বাংলাদেশে ক্ষমতা ও গণমাধ্যমের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলে আসছে। সামরিক শাসনামলে গণমাধ্যমের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের ধরন বিশ্লেষণ করেছেন গবেষক রিজওয়ান-উল-আলম। তাঁর গবেষণায় উঠে এসেছে দমন-পীড়নের চেয়ে সুযোগ-সুবিধার প্রলোভনেই বেশি নিয়ন্ত্রিত হতো সংবাদমাধ্যম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সামরিক শাসনামলে গণমাধ্যমের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ ছিল প্রবল
  • 📌 গবেষক রিজওয়ান-উল-আলমের সাক্ষাৎকারে অংশ নিয়েছিলেন ১১ জন সম্পাদক ও ৭৮ জন সাংবাদিক
  • 📌 একজন সম্পাদকের মতে, সরকারি ট্রাস্টের অধীন পত্রিকার সাংবাদিকদের সরকারি কর্মচারী বলা যায়
  • 📌 সামরিক শাসনামলেও কিছু প্রতিবাদ প্রকাশিত হতো, তবে তা ছিল সীমিত পরিসরে
  • 📌 একজন ব্যুরোপ্রধান জানান, তাঁরা সরকারি নির্দেশ অমান্য করেছিলেন আইনের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে

📰 বিস্তারিত

গবেষক রিজওয়ান-উল-আলম তাঁর গবেষণায় সামরিক শাসনামলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের ধরন বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত ইউএনবির স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটিতে সাংবাদিকতা বিভাগে পিএইচডি করেছেন। তাঁর গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সামরিক সরকারগুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সাতজন সংবাদপত্র সম্পাদক, একজন সহকারী সম্পাদক, আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার দুজন ব্যুরোপ্রধান এবং বাংলাদেশ টেলিভিশনের সংবাদ পরিচালক। তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান ছিল ভিন্ন। কেউ শেখ মুজিবুর রহমানের সমর্থক, কেউ জিয়াউর রহমানের প্রতি সহানুভূতিশীল, আবার কেউ জেনারেল এরশাদের অনুরাগী ছিলেন। কয়েকজন কোনো পক্ষেই ছিলেন না, ছিলেন পুরোপুরি পেশাদার অবস্থানে।

সামরিক শাসনামলে গণমাধ্যমের পরিবেশ সম্পর্কে প্রায় সবাই একমত ছিলেন যে, তাঁরা প্রবল চাপের মধ্যে কাজ করেছেন। একজন সম্পাদক বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করাই ছিল সামরিক শাসনের পূর্বাভাস। অর্থাৎ গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের প্রক্রিয়া অভ্যুত্থানের আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে সব সুর এক ছিল না। শীর্ষ এক দৈনিকের সম্পাদক ভিন্নমত জানিয়ে বলেছিলেন, ওই সময়ও সরকারের নীতির বিরোধিতা করে অনেক সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

গণমাধ্যমের ওপর চাপ প্রয়োগের প্রশ্নে অবশ্য কারও দ্বিমত ছিল না। সবাই স্বীকার করেছিলেন, সামরিক শাসনের সময় নানাভাবে চাপ এসেছে। একজন ব্যুরোপ্রধানের মূল্যায়ন ছিল, ভারত ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই এটি সাধারণ প্রবণতা। তবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল একজন সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতির পর্যবেক্ষণ। তাঁর মতে, দমন-পীড়নের চেয়ে সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়েই সংবাদপত্রকে বেশি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। সরকারি ট্রাস্টের অধীন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সাংবাদিকদের নিয়ে তাঁর মন্তব্য ছিল নির্মম, ‘তাঁদের সাংবাদিক বলাই ঠিক নয়। সরকারি কর্মচারীদের কীভাবে সাংবাদিক বলা যায়, তা আমি বুঝতে পারি না।’

“তাঁদের সাংবাদিক বলাই ঠিক নয়। সরকারি কর্মচারীদের কীভাবে সাংবাদিক বলা যায়, তা আমি বুঝতে পারি না।”

কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ অমান্য করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা সম্পর্কে সম্পাদকদের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য দেখা গিয়েছিল। কেউ কেউ নিজ নিজ সংবাদপত্র ও নিজেদের ভূমিকার কথা গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু একজন সম্পাদক সে গৌরবগাথায় সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর সাফ কথা, মাঝেমধ্যে সংবাদপত্রে জায়গা ফাঁকা রেখে প্রতিবাদ জানানো ছাড়া নিয়ন্ত্রণ অমান্যের উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা তাঁর জানা নেই।

তবে ব্যতিক্রমও ছিল। ভিন্ন আরেক ব্যুরোপ্রধান জানিয়েছিলেন, জরুরি অবস্থার সময় তাঁর সংবাদ সংস্থা সরকারের একটি নির্দেশ মানেনি। নির্দেশে বলা হয়েছিল, সংবাদ প্রকাশের আগে সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে তা যাচাই করাতে হবে। কিন্তু প্রকাশপূর্ব সেন্সরশিপ–সংক্রান্ত সরকারি পরিপত্রে বিদেশি সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন ব্যবহারের বিষয়ে কিছু বলার ছিল না। আইনের সেই ফাঁক কাজে লাগিয়েই তাঁরা নির্দেশ অমান্য করেছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিজওয়ান-উল-আলম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জন সম্পাদক, ৭৮ জন সাংবাদিক, ১৫ বছর সামরিক শাসন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖