📌 নব্বইয়ের দশকের ছেলেবেলার স্মৃতিবিজড়িত দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির সঙ্গে মিলিয়ে গেল প্রকৃতির ছবি। এখন পর্যন্ত পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে কোনোটিই পুরোপুরি মিলছে না।
নব্বইয়ের দশকের ছেলেবেলার স্মৃতিবিজড়িত দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির সঙ্গে মিলিয়ে গেল প্রকৃতির ছবি। এখন পর্যন্ত পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে কোনোটিই পুরোপুরি মিলছে না। তবে কাছাকাছি পোজ ধারণ করা গেছে বলে জানিয়েছেন আলোকচিত্রী।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির সঙ্গে প্রকৃতির দোয়েলের ছবির মিল খুঁজেছেন আলোকচিত্রী
- 📌 বাংলাদেশের জাতীয় পাখি দোয়েলের ছবি তুলতে গিয়ে মিলিয়ে ফেলেন নব্বইয়ের দশকের স্মৃতি
- 📌 দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির ছবি তুলেছেন বাংলাদেশ টাঁকশালের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মুছলিম মিয়া
- 📌 আলোকচিত্রীর ক্যামেরা ছিল ৬০০ মিলিমিটারের টেলিফটো লেন্স, যা প্রতি সেকেন্ডে ৭টি ছবি তুলতে সক্ষম
📰 বিস্তারিত
ছেলেবেলার স্মৃতিতে ভাসছেন আলোকচিত্রী। নব্বইয়ের দশকের সেই সময়টায় দুটাকার নোট ছিল তাঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান। সাদা-কালো দোয়েল পাখির ছবি ছিল সেই নোটের অন্যতম আকর্ষণ। বহু বছর পর প্রকৃতির দোয়েলের ছবি তুলতে গিয়ে সেই স্মৃতির সঙ্গে মিলিয়ে ফেললেন তিনি।
আলোকচিত্রীর মতে, দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির ছবি ছিল তাঁর কাছে অত্যন্ত পরিচিত। কিন্তু প্রকৃতির দোয়েলের ছবি তুলতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, দুটাকার নোটের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা সম্ভব নয়। তবে কাছাকাছি পোজ ধারণ করা গেছে বলে তিনি সন্তুষ্ট।
তিনি আরও জানান, দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির ছবি প্রথম বাজারে আসে ১৯৮৬ সালে। সেই নোটের নকশা করেছিলেন বাংলাদেশ টাঁকশালের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মুছলিম মিয়া।
"দুটাকার নোটের দোয়েল পাখির সঙ্গে প্রকৃতির দোয়েলের ছবির মিল খুঁজতে গিয়ে আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। কোনোটিই পুরোপুরি মিলছে না, তবে কাছাকাছি পোজ ধারণ করা গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গ্রামের বাড়ি, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলোকচিত্রী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর, ৬০০ মিলিমিটার, ৭টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!