📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ব্যবসা: আধুনিকতার জোরে হারিয়ে যাচ্ছে চার প্রজন্মের শিল্পী-কারিগরদের পেশা

দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র ব্যবসা: আধুনিকতার জোরে হারিয়ে যাচ্ছে চার প্রজন্মের শিল্পী-কারিগরদের পেশা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বাদ্যযন্ত্র ব্যবসায়ীরা আধুনিকতার প্রভাবে তাদের পেশা হারানোর আশঙ্কায়। চার প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই শিল্পের উত্তরসূরি না থাকায় দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের চাহিদা কমে যাচ্ছে। কারিগররা পেশাটি বাঁচাতে চেষ্টা করছেন, কিন্তু আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের প্রতিযোগিতায় তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরবাজারের ‘স্বপন তবলা ঘর’-এ বাদ্যযন্ত্রের দোকানটি একসময় ছিল জনপ্রিয়। কিন্তু আধুনিকতার দাপটে এখন সেই দোকানটি অনিশ্চয়তার মধ্যে। চার প্রজন্ম ধরে বাদ্যযন্ত্র তৈরির ঐতিহ্য বহনকারী রবিন দাসের কথায়, আগের মতো বাদ্যযন্ত্রের চাহিদা আর নেই। বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে, ফলে দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের বিক্রি কমে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে ‘স্বপন তবলা ঘর’-এর মালিক রবিন দাসের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে বাদ্যযন্ত্র তৈরির ঐতিহ্য বহন করছে, কিন্তু আধুনিকতার প্রভাবে পেশাটি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছে।
  • 📌 রবিন দাসের কথায়, আগের মতো তবলা, ঢোল, দোতারা ও করতালের চাহিদা নেই। বিয়েবাড়ি, কীর্তন, বাউল আসর বা যাত্রাপালায় এখন আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে।
  • 📌 দোকানে তৈরি বাদ্যযন্ত্র মাসের পর মাস বিক্রি না হলে অবিক্রীত অবস্থায় থাকে। রবিন দাস বলেন, ‘এখন সংসার চালাতে এই কাজ থেকে লাভ হয় না, তাই ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা ও চাকরি করতে দেব।’
  • 📌 ফুলবাড়ীর ‘দাস মিউজিক্যালস’ কর্ণধার প্রবীর কুমার দাস বাবুও বলেন, আধুনিক ডিজিটাল বাদ্যযন্ত্রের সহজলভ্যতায় দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের বাজার সংকুচিত হয়েছে।
  • 📌 স্থানীয় সংগীতশিল্পী নাজমুল হাসান রতন বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সুর আধুনিক শব্দের ভিড়ে ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে। উত্তরসূরি না থাকলে এই শিল্পের একটি অধ্যায় হারিয়ে যেতে পারে।

📰 বিস্তারিত

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরবাজারের ব্যস্ত এলাকা ননী গোপাল মোড়ে অবস্থিত ‘স্বপন তবলা ঘর’-এ বাদ্যযন্ত্রের দোকানটি একসময় ছিল জনপ্রিয়। দোকানের মালিক রবিন দাসের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে বাদ্যযন্ত্র তৈরির ঐতিহ্য বহন করছে। তবে আধুনিকতার প্রভাবে এখন সেই ঐতিহ্য অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।

রবিন দাসের প্রপিতামহ এই পেশা শুরু করেছিলেন। পরে দাদু ও বাবা ঐতিহ্যটি ধরে রেখেছিলেন। রবিন দাসের কথায়, ‘আমার দাদার মৃত্যুর পর বাবা এই পেশায় ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পরও আমি পৈতৃক পেশাটি আঁকড়ে ধরে রেখেছি। কিন্তু আগের মতো বিক্রি নেই। দোকানে তৈরি করে রাখা বাদ্যযন্ত্র মাসের পর মাস অবিক্রীত অবস্থায় থাকে।’

রবিন দাসের কথায়, আগের মতো তবলা, ঢোল, দোতারা ও করতালের চাহিদা নেই। বিয়েবাড়ি, কীর্তন, বাউল আসর বা যাত্রাপালায় এখন আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। তিনি বলেন, ‘আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সামনে রেখে মানুষ তবলা, ঢোল কিংবা দোতারা কিনতেন। পালাগান, কীর্তন, বাউল আসর কিংবা গ্রামীণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব বাদ্যযন্ত্রের আলাদা মর্যাদা ছিল। এখন আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সহজলভ্যতায় সেই জায়গা অনেকটাই সংকুচিত হয়েছে।’

ফুলবাড়ীর ‘দাস মিউজিক্যালস’ কর্ণধার প্রবীর কুমার দাস বাবুও একই অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘হাতে তৈরি বাদ্যযন্ত্রের বাজার সংকুচিত হওয়ার পেছনে আধুনিক প্রযুক্তির বড় ভূমিকা রয়েছে। এখন ডিজিটাল সাউন্ড সিস্টেম, ইলেকট্রনিক বাদ্যযন্ত্র ও অর্কেস্ট্রা সহজেই পাওয়া যায়। ফলে অনুষ্ঠানের আয়োজকেরা আগের মতো দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের ওপর নির্ভর করছেন না।’

স্থানীয় সংগীতশিল্পী নাজমুল হাসান রতন বলেন, ‘একসময় যে সুরে গ্রামবাংলার মানুষের আনন্দ, উৎসব আর আবেগ মিশে থাকত, সেই সুর আজ আধুনিক শব্দের ভিড়ে ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসছে। রবিন দাসের মতো কারিগরেরা পেশাটি ধরে রাখার চেষ্টা করছেন ঠিকই, কিন্তু উত্তরসূরি না থাকলে তাঁদের সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে এই শিল্পেরও একটি অধ্যায়।’

"আমাদের দোকানের বেশ পরিচিতি ছিল। ফুলবাড়ী ছাড়াও আশপাশের উপজেলা, এমনকি দূরের বিভিন্ন জেলা থেকেও মানুষ বাদ্যযন্ত্র কিনতে আসতেন। তবলা, ডুগি, ঢোল, করতাল আর দোতারার ভালো চাহিদা ছিল। এখন সেই জৌলুশ আর নেই।"
"এখন সংসার চালাতে এই কাজ থেকে লাভ হয় না, তাই ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা ও চাকরি করতে দেব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফুলবাড়ী পৌরবাজার, দিনাজপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবিন দাস, প্রবীর কুমার দাস বাবু, নাজমুল হাসান রতন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (চার প্রজন্ম), ৬ (বাদ্যযন্ত্রের সংখ্যা: তবলা, ঢোল, দোতারা, করতাল, ডুগি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖