📌 ফরাসি সাহিত্যিক আলফঁস দোদের ‘বৃদ্ধ দম্পতি’ গল্পের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গল্পে একটি বন্ধু তার বৃদ্ধ দাদা-দাদিকে দেখতে যাওয়ার জন্য অনাথ আশ্রমে পৌঁছানোর কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। অনুবাদ করেছেন সাহিত্যিক আহমেদ সজীব
ফরাসি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গল্পকার আলফঁস দোদের ‘বৃদ্ধ দম্পতি’ গল্পের অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এই গল্পে একটি বন্ধু তার পারীতে আটকে থাকা অবস্থায় দাদা-দাদিকে দেখতে যাওয়ার জন্য অনাথ আশ্রমে যাত্রা শুরু করেন। অনুবাদ করেছেন সাহিত্যিক আহমেদ সজীব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আলফঁস দোদের ‘বৃদ্ধ দম্পতি’ গল্পে একটি বন্ধু তার বৃদ্ধ দাদা-দাদিকে দেখতে যাওয়ার জন্য অনাথ আশ্রমে যাত্রা শুরু করেন, যারা দশ বছর ধরে তার দেখা পাননি
- 📌 গল্পে বর্ণিত হয়েছে যে, বন্ধু তার কলঘর বন্ধ করে ‘এগিয়ের’ গ্রামে যাত্রা করেন, যেখানে অনাথ আশ্রমের ঠিক পাশে একটি ধূসর জানালা ও ছোট বাগানবিশিষ্ট বাড়ি অবস্থিত
- 📌 গল্পে বন্ধু বলেন, ‘তাঁরা আমার দাদা-দাদি, যাদের পুরো পৃথিবীটা আমাকে ঘিরেই, অথচ দশ বছর ধরে তাঁরা আমাকে দেখেননি’
- 📌 গল্পে প্রোভঁসের প্রবল ঠান্ডা বাতাস ও কড়া রোদে বন্ধু অনাথ আশ্রমের দিকে যাত্রা শুরু করেন, যেখানে তিনি বৃদ্ধ দুজনকে দেখতে পান
- 📌 অনুবাদক আহমেদ সজীবের মাধ্যমে এই গল্পের বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা দশ বছরের দূরত্ব ভুলে যাওয়া বন্ধুত্বের গভীরতা তুলে ধরে
📰 বিস্তারিত
ফরাসি সাহিত্যের স্বাভাবিকতাবাদ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আলফঁস দোদের ‘বৃদ্ধ দম্পতি’ গল্পে একটি বন্ধু তার বৃদ্ধ দাদা-দাদিকে দেখতে যাওয়ার জন্য অনাথ আশ্রমে যাত্রা শুরু করেন। গল্পের শুরুতে একজন বন্ধু তার কলঘর বন্ধ করে ‘এগিয়ের’ গ্রামে যাত্রা শুরু করেন। তিনি জানেন যে, অনাথ আশ্রমের ঠিক পাশে একটি ধূসর জানালা ও ছোট বাগানবিশিষ্ট বাড়ি রয়েছে, যেখানে তাঁর দাদা-দাদি বসবাস করেন।
গল্পে বন্ধু বলেন, ‘তাঁরা আমার দাদা-দাদি, যাদের পুরো পৃথিবীটা আমাকে ঘিরেই, অথচ দশ বছর ধরে তাঁরা আমাকে দেখেননি’। তিনি জানান যে, তাঁরা এত বৃদ্ধ যে পথেই যেতে গেলে কোনো বিপদ ঘটতে পারে। বন্ধু বলেন, ‘ভাগ্যিস তুমি ওখানে আছ, আমার প্রিয় বন্ধু! তোমাকে জড়িয়ে ধরে এই অসহায় মানুষগুলো ভাববেন যেন আমাকেই একটু জড়িয়ে ধরলেন’।
গল্পের বর্ণনা অনুযায়ী, বন্ধু প্রোভঁসের প্রবল ঠান্ডা বাতাস ও কড়া রোদে অনাথ আশ্রমের দিকে যাত্রা শুরু করেন। তিনি দেখেন যে, গ্রামটি জনমানবহীন এবং সবাই মাঠে চলে গেছে। ধুলোয় সাদা হয়ে যাওয়া রাস্তার ধারে গাছগুলোতে ঝিঁঝি পোকাগুলো এমনভাবে ডাকছিল যেন মনে হচ্ছিল তিনি ‘ক্রাউ’–এর প্রান্তরে আছেন।
অনাথ আশ্রমের বাড়িটি ছিল প্রকাণ্ড, বিষণ্ণ আর অন্ধকার। বন্ধু দেখেন যে, বাড়ির ঠিক পাশেই একটি ছোট বাড়ি রয়েছে, যার জানালাগুলো ধূসর রঙের এবং পেছনে একটি ছোট বাগান আছে। তিনি সরাসরি ভেতরে ঢুকে পড়েন এবং দেখেন দুজন বৃদ্ধ মানুষ তাঁকে আপনজন মতো জড়িয়ে ধরে। তাঁরা বন্ধুকে তাঁর প্রিয় বন্ধুকে দেখতে পেয়ে খুশি হন এবং তাঁদের দশ বছরের দূরত্ব ভুলে যাওয়া বন্ধুত্বের গল্প শোনান।
"তুমি কড়া না নেড়ে সরাসরি ভেতরে ঢুকে যাবে—দরজা সব সময় খোলাই থাকে আর ভেতরে ঢুকেই বেশ জোরে হাক দেবে: ‘শুভ দিন, সুধীজন! আমি মরিসের বন্ধু...’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্সের প্রোভঁস অঞ্চল, ‘এগিয়ের’ গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলফঁস দোদ, আহমেদ সজীব, বন্ধু (গল্পের চরিত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (দশ বছর ধরে দেখা পাননি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!