📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট প্রত্যাখ্যানে বেড়ে ৪৪ শতাংশ: ৩৫ হাজার ৭৬৭ জনের আবেদন নাকচ

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট প্রত্যাখ্যানে বেড়ে ৪৪ শতাংশ: ৩৫ হাজার ৭৬৭ জনের আবেদন নাকচ

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা ৩৫ হাজার ৭৬৭ জনের ওয়ার্ক পারমিট আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। এপ্রিল-জুনে করা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯টি আবেদনের ৪৪ শতাংশই নাকচ হয়েছে, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ। এছাড়াও নাগরিকত্ব ও অন্যান্য অভিবাসন আবেদনে প্রত্যাখ্যানের হার বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বাসস্থান বা গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা বিদেশিদের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) এপ্রিল থেকে জুন মাসে করা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯টি ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের মধ্যে ৩৫ হাজার ৭৬৭টি প্রত্যাখ্যান করেছে। এতে প্রত্যাখ্যানের হার প্রায় ৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দুই প্রান্তিকে ছিল মাত্র ২৫ শতাংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের ৪৪ শতাংশ নাকচ — সর্বোচ্চ ২০২৬ সালে এপ্রিল-জুনে
  • 📌 ৩৫ হাজার ৭৬৭ জনের আবেদন প্রত্যাখ্যান; মোট আবেদন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯টি
  • 📌 গ্রিন কার্ডের আবেদন বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় কাজের অনুমতি পেতে সাধারণত ৬.৪ মাস অপেক্ষা করতে হয়
  • 📌 নাগরিকত্বের আবেদনে প্রত্যাখ্যানের হার বেড়ে ১৯ শতাংশে — আগের ছিল ১৩ শতাংশ
  • 📌 ১৬ অক্টোবর থেকে ওয়ার্ক পারমিট ও আশ্রয় আবেদনের ফি বাড়ানোর পরিকল্পনা

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা বিভাগ (ইউএসসিআইএস) এপ্রিল থেকে জুন মাসে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯টি ওয়ার্ক পারমিট আবেদন পেয়েছিল। এর মধ্যে ৪৬ হাজার ৪০৫টি অনুমোদন পেয়েছে, কিন্তু ৩৫ হাজার ৭৬৭টি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এপ্রিল-জুনের এই তিন মাসে প্রত্যাখ্যানের হার ৪৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দুই প্রান্তিকে ছিল মাত্র ২৫ শতাংশ। ফলে গ্রিন কার্ডের আবেদন বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা আরো কমে গেছে।

গ্রিন কার্ডের আবেদন বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় কাজের অনুমতি পেতে সাধারণত ৬ দশমিক ৪ মাস অপেক্ষা করতে হয়। এ ধরনের ৬ লাখ ৭১ হাজার ৩৬২টি আবেদন এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। অভিবাসনের অন্যান্য পথেও প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্য। অস্থায়ী বিদেশি কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসাসহ বিভিন্ন আবেদনের ক্ষেত্রে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৮টি অনুমোদনের বিপরীতে ৩৯ হাজার ৫৬০টি আবেদন নাকচ হয়েছে। পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের আবেদনে প্রত্যাখ্যানের হার প্রায় ১৭ শতাংশ এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসী কর্মীদের আবেদনে প্রায় ১৬ শতাংশ। কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ডের আবেদনে প্রত্যাখ্যানের হার ছিল প্রায় ৭ শতাংশ।

নাগরিকত্বের আবেদনেও প্রত্যাখ্যানের হার বেড়েছে। এপ্রিল থেকে জুনে ১ লাখ ৪০ হাজার ১৭৯টি আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪ হাজার ৯৭৪টি অনুমোদন পেয়েছে, কিন্তু ১২ হাজার ৫৯১টি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার আগের দুই প্রান্তিকে ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। নাগরিকত্বের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলেন ৭ লাখ ২৭ হাজার ৩৭১ জন, যাদের সাধারণত ৯ দশমিক ৫ মাস অপেক্ষা করতে হয়।

এদিকে, ১৬ অক্টোবর থেকে ইউএসসিআইএস আশ্রয়, ওয়ার্ক পারমিট ও সাময়িক সুরক্ষিত মর্যাদার আবেদনের ফি মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ৭০ হাজার ডলার ফি দিতে হবে, এমন প্রস্তাবও দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ। এছাড়াও, এ কর্মসূচির মেয়াদ বাড়াতে আরো ৩০ হাজার ডলার ফি আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। কার্যকর হলে এতে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যয় আরো বাড়তে পারে।

"যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রার্থীদের ওয়ার্ক পারমিট আবেদনের প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে। এপ্রিল-জুনে ৪৪ শতাংশ আবেদন নাকচ হয়েছে, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ভারতের দৈনিক দ্য হিন্দুস্তান টাইমস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিদেশি গ্রিন কার্ডপ্রার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ হাজার ৭৬৭ জন (প্রত্যাখ্যান), ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৯টি (মোট আবেদন), ৪৪ শতাংশ (প্রত্যাখ্যান হার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖