📌 যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাসের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের ফলোয়ার সংখ্যা সর্বোচ্চ ৭০ লাখেরও বেশি। বুয়েনা পার্কে অনুষ্ঠিত আলোচনা-বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, ব্যবসা ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলেটের ভূমিকা জোরালোভাবে দাবি করেন
যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাসের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের ফলোয়ার সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে দাঁড়িয়েছে। ৭০ লাখেরও বেশি ফলোয়ারের সাথে বাংলাদেশি কমিউনিটি এই দূতাবাসের সামাজিক মাধ্যমে সর্বাধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এই তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি লস অ্যাঞ্জেলেসের বুয়েনা পার্কের ল্যুক্সর ব্যানকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত একটি আলোচনা-বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাসের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের ফলোয়ার সংখ্যা সর্বোচ্চ ৭০ লাখেরও বেশি — বিশ্বের অন্য কোনো দূতাবাসের পেজের ফলোয়ারের সংখ্যা এই পেজের কাছাকাছি নেই।
- 📌 অনুষ্ঠানে আলোচিত হয় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা-বাণিজ্য, হাই-টেক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, ক্যালিফোর্নিয়ার খেজুর রপ্তানি এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা।
- 📌 রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়গুলোর পুরনো নিয়মের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা যন্ত্রপাতি বাংলাদেশে পৌঁছাতে পারে না।
- 📌 অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশি কমিউনিটি ফেডারেশন অব লস অ্যাঞ্জেলেসের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়া শাওন।
- 📌 অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিল ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ ইউএস অ্যাম্বাসেডর টু বাংলাদেশ’।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে চিরবসন্তের জনপদ ক্যালিফোর্নিয়ার বুয়েনা পার্কে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা-বৈঠক বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভূমিকা জোরালোভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের সেতু গড়ে তোলার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের হাই-টেক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির বেশিরভাগই চীন থেকে আসে, যা কয়েক মাসের মধ্যেই অকেজো হয়ে পড়ে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের যন্ত্রপাতির মান অনেক বেশি এবং দীর্ঘস্থায়ী। তিনি বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়গুলোর পুরনো নিয়মের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের যন্ত্রপাতি বাংলাদেশে পৌঁছাতে না পারার কথা উল্লেখ করেন।
ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের প্রসার ও বিপণনে মার্কিন দূতাবাস সাহায্য করতে পারে, কিন্তু এতে বাংলাদেশি দূতাবাস ও কনস্যুলেটের ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি বলেন, “আপনারা যদি বাংলাদেশেও মার্কিন পণ্যের প্রসার চান, তাহলেও আপনাদের দূতাবাসকেই আগে এগিয়ে আসতে হবে।”
"দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতু গড়ে তুলতে আমাদের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের তথা প্রবাসী বাংলাদেশীদের সহায়তা প্রয়োজন। জ্বালানি, খাদ্যশস্য এবং চিকিৎসা যন্ত্রপাতির বাণিজ্য বাড়ানোর অনেক সুযোগ রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুয়েনা পার্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া (যুক্তরাষ্ট্র)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন (যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত), জিয়া শাওন (বাংলাদেশি কমিউনিটি ফেডারেশন অব লস অ্যাঞ্জেলেসের সাবেক প্রেসিডেন্ট)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ লাখেরও বেশি ফলোয়ার (যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাসের ফেসবুক পেজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!