📌 যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা লটারির নিবন্ধন চালু করা। বাংলাদেশের জন্য আবেদন শুরু হবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়, কারণ ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ যোগ্যতা হারিয়েছে। ২০২৭ সালের লটারিতে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে অপেক্ষা চলছে
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য। আদালতের এই নির্দেশে বলা হয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে হবে এবং ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে। বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে এই খবর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, বিশেষত বাংলাদেশের জন্য লটারিতে আবেদন করার সুযোগ থাকবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে ১ নভেম্বর থেকে ডিভি লটারির আবেদন শুরু করা।
- 📌 বাংলাদেশ ২০১২ সাল থেকে ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচিতে যোগ্যতা হারিয়েছে, কারণ ২০০৭-২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজার বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করেছে।
- 📌 ২০২৭ সালের লটারিতে বাংলাদেশের যোগ্যতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আবেদন করা যাবে না।
- 📌 লটারিতে নির্বাচিত হওয়ার পরও গ্রিন কার্ড নিশ্চিত নয় — আবেদনকারীদের যোগ্যতা পূরণ ও কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
- 📌 আবেদনের জন্য উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বা সমমানের যোগ্যতা বা নির্ধারিত পেশায় কাজের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতের এই নির্দেশে বলা হয়েছে, ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পররাষ্ট্র দপ্তরকে নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করতে হবে। তবে বাংলাদেশের জন্য এই লটারিতে আবেদন করার সুযোগ থাকবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। কারণ ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশের জন্য ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের যোগ্যতা বাতিল রয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজার বাংলাদেশি এই লটারির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন করেছে। এই কারণে বাংলাদেশের জন্য ডিভি লটারিতে অংশগ্রহণের যোগ্যতা বাতিল করা হয়েছে, কারণ এই কর্মসূচি সেই দেশগুলোর জন্য যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলকভাবে কম।
ডিভি লটারি সাধারণভাবে গ্রিন কার্ড লটারি নামে পরিচিত। এই কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে কম অভিবাসী পাঠায় এমন দেশগুলোর যোগ্য নাগরিকদের প্রতি বছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়া হয়। নির্বাচিত আবেদনকারীরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে পারেন। তবে লটারিতে নির্বাচিত হওয়ার পরও গ্রিন কার্ড নিশ্চিত নয়। আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ, কাগজপত্র জমা এবং অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।
আবেদনের জন্য সাধারণত উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বা সমমানের যোগ্যতা থাকতে হয়। বিকল্প হিসেবে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের অভিজ্ঞতাও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ফোর্বসের প্রতিবেদনে অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্যক্রম ৩০ দিন চালু থাকতে পারে। তবে আবেদনের চূড়ান্ত সময়সূচি, যোগ্যতার শর্ত ও আবেদনপদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের তথ্যানুসারে, বাংলাদেশের জন্য এই লটারিতে আবেদন করার সুযোগ থাকবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়।
"২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ আর ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার যোগ্য নয়। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজার বাংলাদেশি এই ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালত, ঢাকা (মার্কিন দূতাবাস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ট্রাম্প প্রশাসন, বাংলাদেশের নাগরিকরা, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর, ২৯ অক্টোবর, ৫০ হাজার, ৫৫ হাজার, ৩০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!