📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩০ মাসে জাতিসংঘের সহযোগিতায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু, নারী-শিশুদের বিশেষ সুরক্ষা নিশ্চিত

৩০ মাসে জাতিসংঘের সহযোগিতায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু, নারী-শিশুদের বিশেষ সুরক্ষা নিশ্চিত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে ৩০ মাসের জন্য বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কর্মসূচিতে ঝুঁকিপূর্ণ নারী ও শিশুদের বিশেষভাবে সুরক্ষা ও জীবিকা সুযোগ প্রদানের লক্ষ্য রেখে কাজ করা হবে

বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে ৩০ মাসের একটি ব্যাপক কর্মসূচি আজ ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচিতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফিরে আসা নারী ও শিশুদের পাশাপাশি সংকটের কারণে দেশে ফিরে আসা অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষা, মানসিক সহায়তা ও জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৩০ মাসের যৌথ কর্মসূচি**: বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর যৌথ উদ্যোগে ৩০ মাসের জন্য অভিবাসীদের পুনর্বাসন কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
  • 📌 **সামাজিক সুরক্ষা ও জীবিকা**: কর্মসূচিতে ঝুঁকিপূর্ণ নারী ও শিশুদের পাশাপাশি সংকটের কারণে দেশে ফিরে আসা অভিবাসীদের সামাজিক নিরাপত্তা, মানসিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
  • 📌 **জাতিসংঘের অর্থায়ন**: কর্মসূচিটি মাইগ্রেশন মাল্টি-পার্টনার ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত হবে।
  • 📌 **৫টি জাতিসংঘ সংস্থার অংশগ্রহণ**: আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), ইউনিসেফ ও ইউএন ওমেন যৌথভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।
  • 📌 **প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব**: কর্মসূচির নেতৃত্ব দেবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
  • 📌 **১ কোটি ৩০ লাখের বেশি অভিবাসী**: ২০০৪ সাল থেকে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিদেশে কাজের জন্য গেছেন, যার মধ্যে ১০ লাখের বেশি নারী।
  • 📌 **সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়**: কর্মসূচিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও লিঙ্গ-সংবেদনশীল নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর সাথে সমন্বয় বাড়ানো হবে।
  • 📌 **টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা**: কর্মসূচিটি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

📰 বিস্তারিত

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে কর্মসূচির চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ। ড. লরা টম বন্দ বলেছেন, ‘অভিবাসন একটি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া। দেশে ফিরে আসা অভিবাসীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের তিন স্তরে টেকসইভাবে নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।’

ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেছেন, ‘দেশে ফিরে আসা অভিবাসীদের জন্য এমন সেবা, সুযোগ ও সহায়তা প্রয়োজন যা তাদের নতুন করে জীবন গড়ে তুলতে এবং সমাজে অবদান রাখতে সক্ষম করবে। সরকার ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে এ সহায়তা আরও শক্তিশালী হবে।’ কর্মসূচির আওতায় অভিবাসীদের দীর্ঘমেয়াদে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সহায়তা দেওয়া হবে। সামাজিক নিরাপত্তা ও সরকারি-বেসরকারি সেবার সঙ্গে তাদের যুক্ত করার পাশাপাশি জীবিকা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিদেশে কাজের জন্য গেছেন। তাদের মধ্যে ১০ লাখের বেশি নারী। দেশে ফেরার পর অনেকেই চাকরি বা আয় করার সুযোগ, প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া এবং বিদেশে থাকার সময়ের নানা মানসিক চাপ মোকাবিলায় সমস্যায় পড়েন। হঠাৎ বা সংকটের কারণে দেশে ফিরে আসা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এসব সমস্যা আরও প্রকট। কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং লিঙ্গ-সংবেদনশীল নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ বিদেশফেরতদের চিহ্নিত করা ও প্রয়োজনীয় সেবার সঙ্গে যুক্ত করতে সহায়তা দেওয়া হবে।

কর্মসূচিতে ব্যক্তির প্রয়োজন অনুযায়ী পৃথক পুনর্বাসন পরিকল্পনা তৈরি, সেবা প্রদানকারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজারে কাজের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোসামাজিক সহায়তা, স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা কার্যক্রম, বৈষম্যমূলক সামাজিক রীতিনীতি মোকাবিলা এবং জেলা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ পরীক্ষামূলকভাবে নেওয়া হবে।

"অভিবাসন কোনো একমুখী প্রক্রিয়া নয়। দেশে ফিরে আসা অভিবাসীরা যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষা পেয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন, তা নিশ্চিত করা জরুরি। টেকসইভাবে নতুন জীবন শুরু করতে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ—তিন পর্যায়েই সহায়তা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।"

— ড. লরা টম বন্দ, আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী (ইআরডি সচিব), ড. লরা টম বন্দ (আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ মাস, ১ কোটি ৩০ লাখ, ১০ লাখ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖