📌 মিয়ানমারের একটি স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা তিন বাংলাদেশি আগামীকাল ঢাকায় ফিরছেন। অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয়। এছাড়াও, মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার আট বাংলাদেশির মধ্যে তিনজন আগামীকাল দেশে ফিরছেন
মিয়ানমারের একটি অনলাইন প্রতারণা কেন্দ্র থেকে পালিয়ে আসা তিন বাংলাদেশি আগামীকাল ঢাকায় ফিরছেন। অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই তিন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তারা হলেন মো. সাইদুর রহমান, রবিউল ও মো. সোহেল রানা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিন বাংলাদেশি — মো. সাইদুর রহমান, রবিউল ও মো. সোহেল রানা।
- 📌 কাল বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে তাদের উড়োজাহাজের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।
- 📌 মিয়ানমারের স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা এই তিনজন বাংলাদেশিকে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয়।
- 📌 গত ২৪ আগস্ট প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সহায়তা চেয়ে আবেদন করা হয়।
- 📌 মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার আট বাংলাদেশির মধ্যে তিনজন আগামীকাল দেশে ফিরছেন, বাকিরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে আছেন।
📰 বিস্তারিত
অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন থেকে পাঠানো একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিয়ানমারের একটি স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা তিন বাংলাদেশিকে আগামীকাল ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হবে। এই তিন বাংলাদেশির নাম হলেন মো. সাইদুর রহমান, রবিউল ও মো. সোহেল রানা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ আগস্ট ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক মো. সাইদুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, ব্যাংককের প্রথম সচিবকে (শ্রম) নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডের মায়ে সট ইমিগ্রেশনের রেফারেল মেকানিজমের আওতাধীন সেফ হোমে অবস্থানরত আট বাংলাদেশিকে মুক্ত করে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত বছর বিভিন্ন সময় কাজ নিয়ে কম্বোডিয়া ও লাওসে যান আট বাংলাদেশি কর্মী। সেখানে তাদের কিছুদিন কাজ করানোর পর সড়কপথে থাইল্যান্ড হয়ে মিয়ানমারের একটি স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হয়। সেখানে নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্যে কাজ করতে বাধ্য করা হতো। একপর্যায়ে তারা পালিয়ে থাইল্যান্ডে চলে আসেন। তাদের ভিসা না থাকায় অভিবাসন পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের নিরাপদ আশ্রয়শিবিরে (সেফ হোম) রাখা হয়।
"সারভাইভার ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বাংলাদেশ দূতাবাসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাইদুর রহমান (দুইবার), রবিউল, মো. সোহেল রানা, পরিচালক মো. সাইদুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (বাংলাদেশি), ৪ (টা), ২০ (মিনিট), ২৪ (আগস্ট), ৮ (বাংলাদেশি কর্মী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!