📌 সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তারের পরিবার আতঙ্কে ভুগছে। মেয়ের মৃত্যুর নিশ্চয়তা না পেলেও তারা সরকারের সহযোগিতা চাইছে মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্য।
সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার একটি পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে শিরচ্ছেদের শিকার নারীর পরিচয় দাবি করে তার পরিবার। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামের সুইটি আক্তারের পরিবার মেয়ের জীবিত থাকার আশায় বুক বাঁধলেও এখন চরম উদ্বেগে ভুগছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তারের পরিবার আতঙ্কে ভুগছে
- 📌 মেয়ের মৃত্যুর নিশ্চয়তা না পেলেও পরিবার সরকারের সহযোগিতা চাইছে মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্য
- 📌 ২০২৩ সালে দাম্পত্য বিচ্ছেদের পর দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন সুইটি আক্তার
- 📌 সৌদি আরবের মক্কায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সুইটি, গ্রেফতার হওয়ার খবর পরিবার জানতে পেরেছিল ১ বছর পর
- 📌 মেয়ের সর্বশেষ যোগাযোগ ছিল ১৩ অক্টোবর, তখন তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামে সুইটির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন মা জহুরা বেগম। আর নির্বাকভাবে বাবা ফজল মিয়া মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় তাকিয়ে আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শিরচ্ছেদের ছবি তাদের মনে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। সুইটি আক্তার বেঁচে আছেন কি না, তার পরিণতি কী হবে — এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তারা।
সুইটি আক্তার ২০২৩ সালে দাম্পত্য বিচ্ছেদের পর স্থানীয় দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন। পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজের কথা বলে তাকে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি স্বজনদের। দালাল নতু মিয়াকে দেড় লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। সৌদি আরবের মক্কায় আল মাজাল আল আরবি গ্রুপ কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সুইটি। দেশটিতে পৌঁছানোর প্রায় ছয় মাস পর গ্রেফতার হন তিনি। তবে গ্রেফতারের খবর পরিবার জানতে পেরেছিল প্রায় এক বছর পর। মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সুইটি তাদের আটকের বিষয়টি জানিয়েছিলেন।
সুইটি তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন, তিনি মারামারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। অন্যদিকে প্রবাসে থাকা সুইটির এক বান্ধবী পরিবারকে জানিয়েছিলেন, এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে গ্রেফতার হয়েছিল সে। গত ১৩ অক্টোবর সকালে সুইটি সর্বশেষ যোগাযোগ করেছিলেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরচ্ছেদের খবর ও ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে।
"মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাইনি। যদি মারা গিয়েছিলেন, তবে সরকার যেন দ্রুত তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে"
— সুইটি আক্তারের বাবা ফজল মিয়া
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা, মির্জাপুর উপজেলা, নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুইটি আক্তার (মেয়ে), ফজল মিয়া (বাবা), জহুরা বেগম (মা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩ (সৌদি যাত্রা), ১ বছর (গ্রেফতার খবর পাওয়ার সময় লেগে যায়), ১৩ অক্টোবর (সর্বশেষ যোগাযোগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!