📌 সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ ছবি ও খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তারের পরিবার উদ্বিগ্ন। দালালের মাধ্যমে সৌদি যাওয়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া মেয়ের বর্তমান অবস্থা অজানা। পুলিশ তথ্য যাচাই করছে
সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ ছবি ও খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার একটি পরিবার মেয়ের জীবন-মৃত্যুর অজানা পরিণতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সুইটি আক্তার নামের এই মেয়ে ২০২৩ সালে দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে যান এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করার কথা বলে পরিবার তাকে পাঠিয়েছিল। কিন্তু সেখানে তার গ্রেপ্তার ও শিরচ্ছেদের সম্ভাব্য খবর পরিবারকে ভীতির মধ্যে ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তারের পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
- 📌 ২০২৩ সালে দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে যাওয়া সুইটি আক্তার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামের বাসিন্দা। দাম্পত্য বিচ্ছেদের পর দালালের মাধ্যমে সেখানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করার কথা বলে তাকে পাঠানো হয়েছিল।
- 📌 গ্রেপ্তারের পর পরিবার জানতে পারে এক বছর পর সুইটি নিজেই মুঠোফোনে জানিয়েছিলেন যে, তিনি গ্রেপ্তার হন মারামারির মামলায়। তবে সৌদি আরবে থাকা বান্ধবীর কাছ থেকে জানা যায়, তিনি একজন বাংলাদেশী যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
- 📌 ১৩ অক্টোবর সর্বশেষ কথা সুইটি পরিবারকে জানিয়েছিলেন, আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। কিন্তু শিরচ্ছেদের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
- 📌 পুলিশ তথ্য যাচাই করছে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, সুইটির শিরচ্ছেদের ঘটনায় জড়িত কি না, তা এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তার বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে।
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরবে শিরচ্ছেদের ভয়াবহ ছবি ও খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সুইটি আক্তারের পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সুইটি আক্তার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামের ফজলু মিয়ার ছোট মেয়ে। দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের পর ২০২৩ সালে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে যান তিনি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ দেয়ার কথা বলে তাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। এ জন্য নতু মিয়া নামের এক দালালকে দেড় লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল।
সৌদি আরবের মক্কায় আল মাজাল আল আরবি গ্রুপ কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সুইটি। দেশটিতে যাওয়ার প্রায় ছয় মাস পর তিনি গ্রেপ্তার হন। তবে তার গ্রেপ্তারের খবর পরিবার জানতে পারে প্রায় এক বছর পর। মুঠোফোনে সুইটি নিজেই পরিবারকে আটকের বিষয়টি জানান। তিনি জানিয়েছিলেন, মারামারির মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে সৌদি আরবে থাকা তার এক বান্ধবীর কাছ থেকে পরিবার জানতে পারে, একজন বাংলাদেশী যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার গ্রেপ্তারের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে পরিবারের কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরচ্ছেদের খবর ও ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে মেয়ের পরিণতি নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে মা-বাবার। মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন মা জহুরা বেগম। আর মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন বাবা ফজলু মিয়া। ফজলু মিয়া বলেন, গত ১৩ অক্টোবর সকালে মেয়ের সঙ্গে তাদের সর্বশেষ কথা হয়। তখন সুইটি জানিয়েছিলেন, আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিরচ্ছেদের খবর ও ছবি ছড়িয়ে পড়লে তাদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। এখন মেয়ের বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
"আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন" — সুইটি আক্তার, ১৩ অক্টোবর সর্বশেষ কথা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা, নগর ছাওয়ালী গ্রাম, সৌদি আরবের মক্কা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুইটি আক্তার, ফজলু মিয়া, জহুরা বেগম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, নতু মিয়া (দালাল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৩ (সৌদি যাত্রার বছর), ১৩ অক্টোবর (সর্বশেষ কথা), ১.৫ লাখ টাকা (দালালকে দেওয়া অর্থ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!