📌 সৌদি আরবে কারাগারে থাকা ২২ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে বিচার হয়েছে, কিন্তু তাদের শাস্তির ধরন বা মেয়াদ জানা যায়নি। জেদ্দা কনস্যুলেট কর্তৃপক্ষকে চাপ দিচ্ছে তথ্য সরবরাহের জন্য। নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মতো আরও ২০ জনের ভাগ্য এখনও অজানা
সৌদি আরবে কারাগারে থাকা ২২ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে বিচার হয়েছে, কিন্তু তাদের শাস্তির ধরন বা মেয়াদ জানা যায়নি। এই তথ্য অজ্ঞাত থাকায় জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চাপ দিচ্ছে। নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মতো আরও ২০ জনের ভাগ্য এখনও অজানা, যা বাংলাদেশের পরিবারগুলিকে অনিশ্চয়তায় ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরবে কারাগারে থাকা ২২ বাংলাদেশির মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় বিচার হয়েছে, কিন্তু শাস্তির তথ্য জানা যায়নি।
- 📌 পাঁচজন মাদক পাচার, পাঁচজন ‘ব্যক্তিগত অধিকার’-সংক্রান্ত মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত, তাদের শাস্তির ধরন অজানা।
- 📌 জেদ্দা কনস্যুলেট ১৯ অক্টোবর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি দিয়েছে, রায়ের সারসংক্ষেপ জানতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
- 📌 ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দীর তালিকা পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু ২২ জনের শাস্তির তথ্য ফাঁকা ছিল।
- 📌 নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর পরিবারগুলিকে অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা করার জন্য কনস্যুলেট উদ্যোগ নিচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মপরিধির এলাকায় কারাগারে থাকা ২২ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে বিচার হয়েছে, কিন্তু তাদের শাস্তির ধরন বা মেয়াদ জানা যায়নি। এই তথ্য অজ্ঞাত থাকায় জেদ্দা কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চাপ দিচ্ছে। সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দীর তালিকা পাঠিয়েছিল, কিন্তু ২২ জনের শাস্তির তথ্য ফাঁকা ছিল।
জেদ্দা কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা জানান, এই ২২ জনের মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলায় বিচার হয়েছে। পাঁচজন মাদক পাচার, পাঁচজন ‘ব্যক্তিগত অধিকার’-সংক্রান্ত মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত, দুজন রাষ্ট্রীয় আইন লঙ্ঘন, একজন সাইবার অপরাধ এবং একজন ব্যভিচারের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত। তাদের কারাগারের অবস্থানও বিভিন্ন — জাহবান, শুমাইসি, জেদ্দা জেনারেল কারাগার, নাজরান, খামিস, আল-বাহা, হাদ্দাহ ও জেদ্দার নারী কারাগার।
সৌদি আইনে হত্যা মামলায় কিসাস (মৃত্যুদণ্ড) হতে পারে, আবার রক্তপণ বা কারাদণ্ডেও নিষ্পত্তি হতে পারে। নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর পরিবারগুলিকে অনিশ্চয়তা থেকে রক্ষা করার জন্য জেদ্দা কনস্যুলেট উদ্যোগ নিচ্ছে। তারা সৌদি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে, রায়ের সারসংক্ষেপ দ্রুত জানাতে।
"বাংলাদেশের দণ্ডিত নাগরিকদের কনস্যুলার সুবিধা নিশ্চিত করার স্বার্থে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে সুস্পষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছে। শাস্তির ফাঁকা কলাম নিয়ে প্রশ্ন সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দীর একটি তালিকা পাঠায়।" — মো. শাখাওয়াত হোসেন, জেদ্দা বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (জেদ্দা, মক্কা অঞ্চল, শুমাইসি, জাহবান, নাজরান, খামিস, আল-বাহা, হাদ্দাহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শাখাওয়াত হোসেন (জেদ্দা বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল), নজরুল ইসলাম, সুইটি আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ জন (বাংলাদেশি বন্দী), ২ হাজার ৪৬১ জন (সকল বন্দী), ৮ জন (হত্যা মামলায়), ৫ জন (মাদক পাচার), ৫ জন (ব্যক্তিগত অধিকার মামলায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!